ড. ইউনূসের প্রতি অসদাচরণ করা হয়েছে: রিজভী
- আপডেট সময় : ০১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি অসদাচরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে হেয় করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী অভিযোগ করেন, জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার অপচেষ্টা করেছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি। তাঁর দাবি, এই ঘটনা পতিত ফ্যাসিস্টদের অনুশোচনার অভাব ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতার অংশ।
ড. ইউনূসের প্রতি আচরণ প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ: রিজভী
বিবৃতিতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার কারণেই জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসের সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
রিজভী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস শুধু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাই নন, তিনি নোবেলজয়ী ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর মতো একজন ব্যক্তির সঙ্গে বিদেশের মাটিতে অসম্মানজনক আচরণ করা দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর।
তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের প্রতি এই অসম্মানজনক আচরণ ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার কারণে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তাঁর দাবি, সেই শাসনামলের সহযোগী দুষ্কৃতকারীরা এখন দেশে-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে। তারাই ড. ইউনূসের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রিজভীর ভাষ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পরও আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তপরায়ণ মনোভাব ও হিংসাশ্রয়ী আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সেই ধারণাকে আরও দৃঢ় করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগ
রিজভী বলেন, ড. ইউনূসের প্রতি অসদাচরণের ঘটনা কেবল একজন ব্যক্তিকে অসম্মান করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি মনে করেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিদেশের মাটিতে এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ঘটনায় বাংলাদেশের জনগণের সম্মান ও দেশের ভাবমূর্তির বিষয়টি সামনে এসেছে।




















