০১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের হাতে আটক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি পুরোনো ও বিকল ছিল: যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে ইরানের হাতে আটক মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোনটি এক দিনেরও বেশি সময় আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র জানান, ড্রোনটি চলমান অভিযানের সহায়তায় ওই অঞ্চলের জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে এটি পুরোনো মডেলের এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য বা সামরিক সরঞ্জাম ছিল না।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এর আগে জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে তারা একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে। ইরানের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির ডুবোযানগুলোর একটি।

ড্রোনটি ডাইভ-এলডি মডেলের

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আটক ড্রোনটি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের। এটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান।

প্রায় ১৯ ফুট বা ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এই ডুবোযান মাইন শনাক্ত ও অপসারণ, সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার করা যায়। পানির নিচের কেবল ও পাইপলাইন পরিদর্শনেও এটি ব্যবহারের উপযোগী।

অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ডাইভ-এলডি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে পারে এবং প্রয়োজনে ডুবোযান হারানোর ঝুঁকিও বিবেচনায় থাকে।

১০ দিন পর্যন্ত পানির নিচে থাকতে পারে

অ্যান্ডুরিলের তথ্য অনুযায়ী, ডাইভ-এলডি ঘাঁটিতে ফিরে না গিয়ে টানা ১০ দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারে। এটি সর্বোচ্চ প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতায় পরিচালনার জন্য তৈরি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবিকদের ঝুঁকিতে না ফেলে সমুদ্রের বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ চালকবিহীন নৌযানের ব্যবহার বাড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিকবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্সস্কুপের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের দাম প্রায় ২৫ লাখ ডলার।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইরানের হাতে আটক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি পুরোনো ও বিকল ছিল: যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১২:৫১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে ইরানের হাতে আটক মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোনটি এক দিনেরও বেশি সময় আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র জানান, ড্রোনটি চলমান অভিযানের সহায়তায় ওই অঞ্চলের জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে এটি পুরোনো মডেলের এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য বা সামরিক সরঞ্জাম ছিল না।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এর আগে জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে তারা একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে। ইরানের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির ডুবোযানগুলোর একটি।

ড্রোনটি ডাইভ-এলডি মডেলের

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আটক ড্রোনটি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের। এটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান।

প্রায় ১৯ ফুট বা ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এই ডুবোযান মাইন শনাক্ত ও অপসারণ, সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার করা যায়। পানির নিচের কেবল ও পাইপলাইন পরিদর্শনেও এটি ব্যবহারের উপযোগী।

অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ডাইভ-এলডি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে পারে এবং প্রয়োজনে ডুবোযান হারানোর ঝুঁকিও বিবেচনায় থাকে।

১০ দিন পর্যন্ত পানির নিচে থাকতে পারে

অ্যান্ডুরিলের তথ্য অনুযায়ী, ডাইভ-এলডি ঘাঁটিতে ফিরে না গিয়ে টানা ১০ দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারে। এটি সর্বোচ্চ প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতায় পরিচালনার জন্য তৈরি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবিকদের ঝুঁকিতে না ফেলে সমুদ্রের বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ চালকবিহীন নৌযানের ব্যবহার বাড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিকবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্সস্কুপের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের দাম প্রায় ২৫ লাখ ডলার।