স্বাধীনতার ৫০ বছরেও জামালপুরে অরিক্ষত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২
- / ১৬৪০ বার পড়া হয়েছে
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পরের মুক্তিকামী জনতা হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাটি জামালপুরের দুর্গ পতনের মধ্য দিয়ে ১১ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা সূচনা করেছিল ঢাকা বিজয়ের পথ। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ও গণকবরগুলো এখনো অরক্ষিত। এগুলো সংস্কারের দাবীসহ রাজাকারদের তালিকা করে রাস্তায় মোড়ে টাঙিয়ে দেয়ার দাবী জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
১৯৭১ এ ঢাকাকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা ছিলো ১১নং সেক্টরের। যার হেডকোয়ার্টার ছিলো ময়মনসিংহ-জামালপুরসহ মেঘালয়ের তুরা জেলায়। অন্যদিকে, সদরের পিটিআই ও ধানুয়া কামালপুরে শক্তিশালী ঘাঁটি স্থাপন করে হানাদার বাহিনী। যুদ্ধের কারণেই জামালপুরের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে আছে হানাদারবাহিনীর নৃশংতার চিহ্ন। যা এখন বধ্যভূমি।
জেলা সদরের পিটিআই হেড কোয়াটার, বর্তমান ওয়াপদা রেস্ট হাউস, আশেক মাহমুদ কলেজের ডিগ্রি হোস্টেল টর্চার সেল, ব্রহ্মপুত্রের তীরে শ্মশান ঘাট বধ্যভূমি এবং ফৌতি গোরস্থান সহ এসব জায়গায় অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বাঙ্গালীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। সরিষাবাড়ীর বারই পটল এলাকায় একদিনেই হত্যা করা হয় শতাধিক মুক্তিকামী বাঙ্গালীকে। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ও গণকবরগুলো অরক্ষিতই রয়ে গেছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত এসব জায়গা দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে, জানিয়েছেন সদর আসনের সংসদ সদস্য।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ও গণকবরগুলো সংস্কার করে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে পরিণত করার দাবী স্থানীয়দের। অন্যদিকে, রাজাকারদের নামের তালিকা তৈরি করে আগামী প্রজন্মের কাছে তাদের আসল পরিচয় তুলে ধরার দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


























