সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত
- আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মরণে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন নানা কর্মসূচি পালন করছে।
৫৭০ খ্রিস্টাব্দে হিজরি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে সৌদি আরবের মক্কায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। একই তারিখে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি ভবনেও পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থান জাতীয় পতাকা, কালেমা তাইয়্যেবা লেখা রঙিন পতাকা ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি
দিবসটি উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কেরাত, নাত, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। এছাড়া আরবি খুতবা লেখার প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলার আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনেও ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশের মুসলিমসহ বিশ্বের মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা পৃথক বাণীতে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় বিপর্যস্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তিনি হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা অনুসরণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়। মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশেও এর গভীর গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ধারণ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ন্যায়বোধের চর্চার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
ফোকাস কীফ্রেজ: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

























