শ্রমিকদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের আহ্বান জামায়াত আমিরের
- আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৫৮৬ বার পড়া হয়েছে
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে যত বিলম্ব হবে, ক্ষতির পরিমাণ তত বাড়বে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি।
শ্রমিক অসন্তোষে উদ্বেগ জামায়াত আমিরের
ভিডিও বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলন করছেন। এ আন্দোলনের কারণে ইতোমধ্যে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি বলেন, পোশাকশিল্প বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত। এ খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান
জামায়াত আমির বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে স্বল্প বেতনে শ্রমিকদের জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তার মতে, মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিল্প বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তবে এটিও সত্য, শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সুযোগসন্ধানীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানীরা বিভিন্নভাবে পরিস্থিতির অপব্যবহারের চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক এবং সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের দাবি ও শিল্পকারখানার স্বার্থ—দুটিই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করা জরুরি।
গাজীপুরে শ্রমিক হত্যার বিচার দাবি
এ সময় গাজীপুরে শ্রমিক হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান বিরোধীদলীয় নেতা।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শ্রমিক অসন্তোষের স্থায়ী সমাধানে সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।




















