০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বিরোধী দলের পেছনে গোয়েন্দা লাগানোর বার্তা বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারিতে ব্যবহারের বার্তা বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা এবং নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার ফ্যাসিবাদী প্রবণতার পরিচায়ক।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

গোয়েন্দা নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের পেছনে লাগানো নিন্দনীয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের গভীরতর বার্তা দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী কি প্রকাশ্যে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে, নাকি দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে?

এনসিপির এই নেতার দাবি, বিরোধী দলের ওপর গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহারের এমন প্রবণতা শেখ হাসিনার শাসনামলের কথা মনে করিয়ে দেয়।

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ

একই পোস্টে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর দাবি, বড় প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি বা ডাইরেক্ট পারচেজ মেথড (ডিপিএম) ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং আন্তঃবাহিনী সংস্থা পরিচালিত বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে (বিএমটিএফ) সামনে রেখে পেছনে বিএনপি নেতাদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর ভাষ্য, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডে সামরিক বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে বাহিনীগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কার্ডের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের উৎপাদন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বেসরকারি ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড সরবরাহে যেখানে প্রতিটি কার্ডের দাম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, সেখানে সরকারি এসব কর্মসূচির কার্ডে ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা ব্যয়ের যৌক্তিকতা কী?

এ ছাড়া ডেটাবেজ তৈরির নামে ২ হাজার ১০ কোটি টাকা অপচয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দারিদ্র্য শনাক্তকরণে নতুন করে বড় প্রকল্প নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা। তাঁর মতে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিদ্যমান তথ্যভাণ্ডার, খানা জরিপ, মোবাইল ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন সেবার তথ্য ব্যবহার করে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের তথ্যভাণ্ডার আরও উন্নত করা সম্ভব। এ জন্য নতুন প্রকল্প নেওয়ার পরিবর্তে বিবিএসকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তুলে ধরেন। তাই এসব প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর অজান্তে ঘটছে, এমনটা মনে করার কারণ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে তাঁর ফেসবুক পোস্টে কোনো নথি বা বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরা হয়নি।

রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান

সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণে সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব ঘটনার পর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাও এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গত দুই বছরে বাহিনীগুলো রাজনৈতিক অপব্যবহার থেকে কিছুটা সরে এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার বার্তা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই সঙ্গে কার্ড কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এসব কাজে সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনো সরকারি দলের সম্পত্তি নয়। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। সরকার, বিরোধী দলসহ সব নাগরিকের স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের দায়িত্ব। দেশের বদলে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা জনগণের অর্পিত দায়িত্বের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা যাবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরোধী দলের পেছনে গোয়েন্দা লাগানোর বার্তা বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারিতে ব্যবহারের বার্তা বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা এবং নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার ফ্যাসিবাদী প্রবণতার পরিচায়ক।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

গোয়েন্দা নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের পেছনে লাগানো নিন্দনীয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের গভীরতর বার্তা দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী কি প্রকাশ্যে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে, নাকি দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে?

এনসিপির এই নেতার দাবি, বিরোধী দলের ওপর গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহারের এমন প্রবণতা শেখ হাসিনার শাসনামলের কথা মনে করিয়ে দেয়।

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ

একই পোস্টে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর দাবি, বড় প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি বা ডাইরেক্ট পারচেজ মেথড (ডিপিএম) ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং আন্তঃবাহিনী সংস্থা পরিচালিত বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে (বিএমটিএফ) সামনে রেখে পেছনে বিএনপি নেতাদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর ভাষ্য, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডে সামরিক বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে বাহিনীগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কার্ডের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের উৎপাদন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বেসরকারি ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড সরবরাহে যেখানে প্রতিটি কার্ডের দাম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, সেখানে সরকারি এসব কর্মসূচির কার্ডে ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা ব্যয়ের যৌক্তিকতা কী?

এ ছাড়া ডেটাবেজ তৈরির নামে ২ হাজার ১০ কোটি টাকা অপচয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দারিদ্র্য শনাক্তকরণে নতুন করে বড় প্রকল্প নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা। তাঁর মতে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিদ্যমান তথ্যভাণ্ডার, খানা জরিপ, মোবাইল ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন সেবার তথ্য ব্যবহার করে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের তথ্যভাণ্ডার আরও উন্নত করা সম্ভব। এ জন্য নতুন প্রকল্প নেওয়ার পরিবর্তে বিবিএসকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তুলে ধরেন। তাই এসব প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর অজান্তে ঘটছে, এমনটা মনে করার কারণ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে তাঁর ফেসবুক পোস্টে কোনো নথি বা বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরা হয়নি।

রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান

সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণে সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব ঘটনার পর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাও এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গত দুই বছরে বাহিনীগুলো রাজনৈতিক অপব্যবহার থেকে কিছুটা সরে এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার বার্তা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই সঙ্গে কার্ড কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এসব কাজে সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনো সরকারি দলের সম্পত্তি নয়। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। সরকার, বিরোধী দলসহ সব নাগরিকের স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের দায়িত্ব। দেশের বদলে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা জনগণের অর্পিত দায়িত্বের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা যাবে।