বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমঞ্চে, আভিলা ইসলামের নতুন ইতিহাস
- আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবময় অর্জনের খবর নিয়ে এলেন আভিলা ইসলাম। তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিস ইকোবাংলাদেশ ২০২৬হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা দেশের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক।
এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় আভিলা ইসলাম তার এই অর্জনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে তিনি উচ্ছ্বাসও ব্যক্ত করেন।
আভিলা ইসলাম এখন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মিস ইকো ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি দেশের প্রথম ডি.জে. যিনি এই মর্যাদাপূর্ণ মুকুট জয় করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই সাফল্য প্রমাণ করে—সাফল্যের পথে বৈচিত্র্যই হতে পারে সবচেয়ে বড় শক্তি।
এই অর্জনকে তিনি শুধুমাত্র সম্মান নয়, বরং একটি বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন। দেশের প্রতিনিধিত্ব করা, তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ব্যাপারে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। নিজের এই যাত্রায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
খুব শিগগিরই তিনি মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন, যেখানে ৬৫টিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তার লক্ষ্য শুধু আন্তর্জাতিক মুকুট অর্জন নয়; বরং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের অবস্থান, সম্ভাবনা এবং উদ্যোগকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা।
দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই আভিলা ইসলাম পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন-এর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন।
তার মতে, শুধুমাত্র বর্জ্য অপসারণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না—প্রয়োজন মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি। এছাড়াও জনসমাগমস্থল, নদীপাড় ও নৌযানে পরিবেশবিষয়ক চিত্রাঙ্কন এবং সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের পরিকল্পনাও রয়েছে তার। আভিলা বিশ্বাস করেন, শিল্প ও রঙের মাধ্যমে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা সম্ভব, যা মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিবেশবান্ধব আচরণে উদ্বুদ্ধ করবে।
























