০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

তাইজুলের স্পিন জাদুতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, শেষ হলো দ্বিতীয় দিনের খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৭৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরির পরও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজও শুরুতে ভালো অবস্থানে থাকলেও দিনের শেষভাগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের পর বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে চাপে পড়েছে ক্যারিবীয়রা। বিশেষ করে এক ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে বাংলাদেশের ফেরার আশা জাগিয়েছেন তাইজুল।

বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়েছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা। দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭২ রানের জবাবে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে ২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

প্রথম দিন সাদমান ইসলামের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সেই স্বপ্নে ধাক্কা লাগে। মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ সাতটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। শেষ ১০ রানের মধ্যে পড়ে চার উইকেট।

টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া সাদমান ইসলাম বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেন। তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দল বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েছিল। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় করেন ৪২ রান। চোটের কারণে ভোগা লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

তবে লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে দারুণ সফল ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান। তিনি তুলে নেন পাঁচ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর চতুর্থ পাঁচ উইকেটের কীর্তি। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট নেন।

ক্যাম্পবেল-চন্দরপলের ব্যাটে এগোচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হওয়ার পর ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে অবশ্য উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চাপে রাখার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে।

বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার হাসান মাহমুদ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে তাঁর ফিফথ স্টাম্পের লাইনে করা বলে ব্যাট চালাতে গিয়ে উইকেটরক্ষক জাকের আলি অনিকের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেন্ডন কিং। ১৫ রান করে বিদায় নেন এই ওপেনার।

এরপর ক্রিজে এসে জন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে জুটি গড়েন ত্যাজনারায়ণ চন্দরপল। চন্দরপল ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করতে থাকলেও ক্যাম্পবেল ছিলেন আক্রমণাত্মক। তাঁর দ্রুত রান তোলার কৌশলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস এগিয়ে যেতে থাকে।

দুই ব্যাটারের জুটিতে স্বস্তি ফিরে পায় ক্যারিবীয় শিবির। একপর্যায়ে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপও তৈরি হয়। ক্যাম্পবেল নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তখন মনে হচ্ছিল, প্রথম ইনিংসে বড় লিড নেওয়ার পথে এগোচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মিরাজের আঘাতের পর তাইজুলের জোড়া উইকেট

বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে তৃতীয় সেশনের খেলা শুরু হতে দেরি হয়। বিরতির পর মাঠে ফিরেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের বোলাররা।

অভিজ্ঞ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফিরিয়ে দেন বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জন ক্যাম্পবেলকে। ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন ক্যারিবীয় এই ব্যাটার। তাঁর বিদায়ে স্বস্তি ফিরে পায় বাংলাদেশ শিবির।

এরপর নিজের স্পিনের জাদু দেখান তাইজুল ইসলাম। ইনিংসের ৩৬তম ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দেন তিনি।

ওভারের দ্বিতীয় বলে কাভেম হজকে আউট করেন তাইজুল। ২০ বলে ৭ রান করে বিদায় নেন হজ। একই ওভারের পঞ্চম বলে আমির জাঙ্গোকেও ফিরিয়ে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন জাঙ্গো।

পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একপর্যায়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা সফরকারীদের ইনিংসে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। মিরাজ ও তাইজুলের স্পিন আক্রমণ বাংলাদেশের জন্য ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে দেয়।

আলোকস্বল্পতা ও বৃষ্টিতে আগেভাগে খেলা শেষ

দ্বিতীয় দিনজুড়েই আবহাওয়ার কারণে খেলা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কখনো বৃষ্টি, কখনো আলোকস্বল্পতার কারণে মাঠের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের পুরোটা খেলা সম্ভব হয়নি।

দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা। হাতে আছে ছয়টি উইকেট।

তাই তৃতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় লিড নেওয়া থেকে আটকানো। অন্যদিকে সফরকারীরা চাইবে উইকেট ধরে রেখে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যেতে।

সাদমানের সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস হতাশা তৈরি করলেও দিনের শেষভাগে মিরাজ ও তাইজুলের স্পিন আক্রমণ ম্যাচে নতুন উত্তেজনা ফিরিয়েছে। এখন তৃতীয় দিনের শুরুতে দুই দলের বোলার ও ব্যাটারদের লড়াইয়ের ওপর নির্ভর করবে ম্যাচের পরবর্তী পরিস্থিতি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তাইজুলের স্পিন জাদুতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, শেষ হলো দ্বিতীয় দিনের খেলা

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরির পরও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজও শুরুতে ভালো অবস্থানে থাকলেও দিনের শেষভাগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের পর বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে চাপে পড়েছে ক্যারিবীয়রা। বিশেষ করে এক ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে বাংলাদেশের ফেরার আশা জাগিয়েছেন তাইজুল।

বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়েছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা। দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭২ রানের জবাবে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে ২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

প্রথম দিন সাদমান ইসলামের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সেই স্বপ্নে ধাক্কা লাগে। মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ সাতটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। শেষ ১০ রানের মধ্যে পড়ে চার উইকেট।

টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া সাদমান ইসলাম বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেন। তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দল বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েছিল। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় করেন ৪২ রান। চোটের কারণে ভোগা লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

তবে লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে দারুণ সফল ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান। তিনি তুলে নেন পাঁচ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর চতুর্থ পাঁচ উইকেটের কীর্তি। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট নেন।

ক্যাম্পবেল-চন্দরপলের ব্যাটে এগোচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হওয়ার পর ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে অবশ্য উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চাপে রাখার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে।

বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার হাসান মাহমুদ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে তাঁর ফিফথ স্টাম্পের লাইনে করা বলে ব্যাট চালাতে গিয়ে উইকেটরক্ষক জাকের আলি অনিকের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেন্ডন কিং। ১৫ রান করে বিদায় নেন এই ওপেনার।

এরপর ক্রিজে এসে জন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে জুটি গড়েন ত্যাজনারায়ণ চন্দরপল। চন্দরপল ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করতে থাকলেও ক্যাম্পবেল ছিলেন আক্রমণাত্মক। তাঁর দ্রুত রান তোলার কৌশলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস এগিয়ে যেতে থাকে।

দুই ব্যাটারের জুটিতে স্বস্তি ফিরে পায় ক্যারিবীয় শিবির। একপর্যায়ে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপও তৈরি হয়। ক্যাম্পবেল নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তখন মনে হচ্ছিল, প্রথম ইনিংসে বড় লিড নেওয়ার পথে এগোচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মিরাজের আঘাতের পর তাইজুলের জোড়া উইকেট

বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে তৃতীয় সেশনের খেলা শুরু হতে দেরি হয়। বিরতির পর মাঠে ফিরেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের বোলাররা।

অভিজ্ঞ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফিরিয়ে দেন বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জন ক্যাম্পবেলকে। ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন ক্যারিবীয় এই ব্যাটার। তাঁর বিদায়ে স্বস্তি ফিরে পায় বাংলাদেশ শিবির।

এরপর নিজের স্পিনের জাদু দেখান তাইজুল ইসলাম। ইনিংসের ৩৬তম ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দেন তিনি।

ওভারের দ্বিতীয় বলে কাভেম হজকে আউট করেন তাইজুল। ২০ বলে ৭ রান করে বিদায় নেন হজ। একই ওভারের পঞ্চম বলে আমির জাঙ্গোকেও ফিরিয়ে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন জাঙ্গো।

পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একপর্যায়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা সফরকারীদের ইনিংসে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। মিরাজ ও তাইজুলের স্পিন আক্রমণ বাংলাদেশের জন্য ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে দেয়।

আলোকস্বল্পতা ও বৃষ্টিতে আগেভাগে খেলা শেষ

দ্বিতীয় দিনজুড়েই আবহাওয়ার কারণে খেলা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কখনো বৃষ্টি, কখনো আলোকস্বল্পতার কারণে মাঠের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের পুরোটা খেলা সম্ভব হয়নি।

দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা। হাতে আছে ছয়টি উইকেট।

তাই তৃতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় লিড নেওয়া থেকে আটকানো। অন্যদিকে সফরকারীরা চাইবে উইকেট ধরে রেখে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যেতে।

সাদমানের সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস হতাশা তৈরি করলেও দিনের শেষভাগে মিরাজ ও তাইজুলের স্পিন আক্রমণ ম্যাচে নতুন উত্তেজনা ফিরিয়েছে। এখন তৃতীয় দিনের শুরুতে দুই দলের বোলার ও ব্যাটারদের লড়াইয়ের ওপর নির্ভর করবে ম্যাচের পরবর্তী পরিস্থিতি।