০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

‘ডিসেম্বরে দেশে আসুন, রাজপথে দেখা হবে’- শেখ হাসিনাকে হাফিজ উদ্দিনের চ্যালেঞ্জ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৬৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন’- এমন প্রচারণার জবাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তারা বলে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে।অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন। ইনশাল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, নির্যাতনের পরও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা আবার বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে। দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে। ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখন ৮২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জন্য আরেকটা যুদ্ধ করব।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘গরিব দেশের যতটুকু সামর্থ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেবো আপনাদের কল্যাণের জন্য।’

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ যেমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল, তেমনি জুলাইয়ের আন্দোলনও গণতন্ত্রের জন্য। নির্বাচনকে গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ততদিনই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে।’

জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, মতের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘ভুল তো মানুষ করেই। আবু সাঈদের ছবি না থাকলে সেই ডকুমেন্টারি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও ছিল না। মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে বারবার ক্ষমা চেয়েছেন। এরপরও জাতীয় অনুষ্ঠানে এভাবে ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।’ তিনি বলেন, ‘আজকের অনুষ্ঠানে যে দৃশ্য দেখলাম, তাতে আমি অত্যন্ত দুঃখিত, লজ্জিত ও ব্যথিত। বিদেশি অতিথিদের সামনে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা আমাদের জন্য বিব্রতকর।’

নেতাকর্মীদের আচরণের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘নেতারা অনেক সময় অনুসারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু অনুসারীরা অনেক ক্ষেত্রেই তা শোনেন না। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে “ভুয়া, ভুয়া” বলে চিৎকার করা মোটেই শোভন নয়। কবে এসব শিখব?’

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘ডিসেম্বরে দেশে আসুন, রাজপথে দেখা হবে’- শেখ হাসিনাকে হাফিজ উদ্দিনের চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

‘আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন’- এমন প্রচারণার জবাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তারা বলে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে।অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন। ইনশাল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, নির্যাতনের পরও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা আবার বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে। দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে। ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখন ৮২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জন্য আরেকটা যুদ্ধ করব।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘গরিব দেশের যতটুকু সামর্থ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেবো আপনাদের কল্যাণের জন্য।’

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ যেমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল, তেমনি জুলাইয়ের আন্দোলনও গণতন্ত্রের জন্য। নির্বাচনকে গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ততদিনই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে।’

জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, মতের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘ভুল তো মানুষ করেই। আবু সাঈদের ছবি না থাকলে সেই ডকুমেন্টারি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও ছিল না। মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে বারবার ক্ষমা চেয়েছেন। এরপরও জাতীয় অনুষ্ঠানে এভাবে ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।’ তিনি বলেন, ‘আজকের অনুষ্ঠানে যে দৃশ্য দেখলাম, তাতে আমি অত্যন্ত দুঃখিত, লজ্জিত ও ব্যথিত। বিদেশি অতিথিদের সামনে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা আমাদের জন্য বিব্রতকর।’

নেতাকর্মীদের আচরণের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘নেতারা অনেক সময় অনুসারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু অনুসারীরা অনেক ক্ষেত্রেই তা শোনেন না। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে “ভুয়া, ভুয়া” বলে চিৎকার করা মোটেই শোভন নয়। কবে এসব শিখব?’