টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি, উদ্ধার বাইক
- আপডেট সময় : ০১:২৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে মুম্বাই পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। তবে হামলার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। অন্যদিকে, হামলাকারীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ বিভিন্নভাবে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের আন্ধেরি রেলস্টেশনের কাছে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ প্রথমে আন্ধেরি পশ্চিমের ডিএন নগর এলাকায় বাইকটির গতিবিধি শনাক্ত করে। পরে সেটি জব্দ করা হয়।
ট্রেনে চড়ে পালানোর সন্দেহ
তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্রের ধারণা, হামলার পর অভিযুক্তরা রেলস্টেশনের দিকে চলে যায় এবং পরে ট্রেনে চড়ে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত করতে স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করেও সন্দেহভাজনদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।
ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্তে পুলিশের ১৫টি দল কাজ করছে। হামলাকারীদের পরিচয়, হামলার উদ্দেশ্য এবং এর পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টার দিকে মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফুটবল খেলে পুষ্পা পার্ক থেকে বের হওয়ার সময় টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে তিন হামলাকারী পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর প্রথমে অভিনেতা অক্ষত রয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত ছবিতে তাকে আহত অবস্থায় দেখা যায়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সঙ্গে দেখা করেন টাইগার। এ সময় তার বুকে ও বাঁ হাতে ব্যান্ডেজ দেখা যায়।
এ ঘটনায় টাইগারের গাড়িচালক ও একজন অটোরিকশাচালকও গুলিবিদ্ধ হন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যদের দায় স্বীকারের দাবি
হামলার পর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কথিত দুই সদস্য অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকারের দাবি করেন। একই সঙ্গে বলিউডের কয়েকজনকে হুমকি দেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করার মধ্য দিয়ে তদন্তে অগ্রগতি হলেও হামলার পেছনের প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় ও দায় স্বীকারের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।



























