০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে মক্কা চুক্তির তিন দেশ, নেপথ্যে কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৮৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির’ তিন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় জোরদার করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে কী কী বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বৈঠকে থাকছেন যেসব দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা

সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নেবেন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এ ছাড়া তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিনও বৈঠকে যোগ দেবেন।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি সেক্রেটারি আলী বাকেরি কানি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে সৌদি, পাকিস্তানি ও তুর্কি প্রতিনিধিরা তেহরান সফর করবেন। তাঁরা ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

এই বৈঠককে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বিরোধ। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান।

এর আগে গত সপ্তাহেই তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সফরকালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, ইরানের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না। ফলে নতুন এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধ নিরসনের সম্ভাবনা, আলোচনার শর্ত এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে এবারের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে কোনো নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ভেঙে পড়েছিল অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুন মাসে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।

এর পর থেকে দুই দেশের বিরোধ নিষ্পত্তির সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশাপাশি সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের তেহরান সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে সংঘাতের বিস্তার ঠেকানো এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ তৈরি করা সহজ হতে পারে। তবে বৈঠকের ফলাফল ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অবস্থানের ওপর পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা উদ্বেগও গুরুত্বপূর্ণ

এই বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট ইয়েমেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদির বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। অন্যদিকে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে।

এ অবস্থায় ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোর বিষয়টি সৌদি আরবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে তুরস্ক ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমন্বয়ের পরিসর বাড়াতে পারে।

বৈঠকের ফলাফলের দিকে নজর

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের এই সফর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধ, ইয়েমেন পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি হয় কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি, সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো যৌথ বিবৃতি প্রকাশের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা কমবে, নাকি আঞ্চলিক সমীকরণে নতুন কোনো পরিবর্তন আসবে—তা জানতে বৈঠকের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইরানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে মক্কা চুক্তির তিন দেশ, নেপথ্যে কী

আপডেট সময় : ০১:২৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির’ তিন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় জোরদার করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে কী কী বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বৈঠকে থাকছেন যেসব দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা

সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নেবেন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এ ছাড়া তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিনও বৈঠকে যোগ দেবেন।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি সেক্রেটারি আলী বাকেরি কানি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে সৌদি, পাকিস্তানি ও তুর্কি প্রতিনিধিরা তেহরান সফর করবেন। তাঁরা ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

এই বৈঠককে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বিরোধ। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান।

এর আগে গত সপ্তাহেই তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সফরকালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, ইরানের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না। ফলে নতুন এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধ নিরসনের সম্ভাবনা, আলোচনার শর্ত এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে এবারের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে কোনো নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ভেঙে পড়েছিল অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুন মাসে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।

এর পর থেকে দুই দেশের বিরোধ নিষ্পত্তির সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশাপাশি সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের তেহরান সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে সংঘাতের বিস্তার ঠেকানো এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ তৈরি করা সহজ হতে পারে। তবে বৈঠকের ফলাফল ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অবস্থানের ওপর পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা উদ্বেগও গুরুত্বপূর্ণ

এই বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট ইয়েমেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদির বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। অন্যদিকে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে।

এ অবস্থায় ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোর বিষয়টি সৌদি আরবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে তুরস্ক ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমন্বয়ের পরিসর বাড়াতে পারে।

বৈঠকের ফলাফলের দিকে নজর

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের এই সফর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধ, ইয়েমেন পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি হয় কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি, সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো যৌথ বিবৃতি প্রকাশের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা কমবে, নাকি আঞ্চলিক সমীকরণে নতুন কোনো পরিবর্তন আসবে—তা জানতে বৈঠকের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।