২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০১:৪১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৬১ বার পড়া হয়েছে
আগামী ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও টঙ্গীর তুরাগ তীরে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লির সমাগম হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমা
ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে ৮ জানুয়ারি, শুক্রবার। তিন দিনব্যাপী এ পর্ব শেষ হবে ১০ জানুয়ারি, রোববার। এরপর পাঁচ দিন বিরতির পর ১৫ জানুয়ারি, শুক্রবার শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম চলবে ১৭ জানুয়ারি, রোববার পর্যন্ত।
প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৭ সালের ইজতেমার সময়সূচি
একনজরে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার সম্ভাব্য সূচি—
প্রথম পর্ব: ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি ২০২৭
দ্বিতীয় পর্ব: ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি ২০২৭
ইজতেমার প্রতিটি পর্বে ধর্মীয় বয়ান, নামাজ, তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা সময় কাটাবেন। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা তাবলিগের সাথিরাও এতে অংশ নেবেন।
তুরাগ তীরে মুসল্লিদের সমাগম
বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশাল অস্থায়ী নগরী গড়ে ওঠে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে আসেন। বিদেশ থেকেও বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা এতে অংশ নেন।
ইজতেমা উপলক্ষে ময়দানে মুসল্লিদের থাকা, খাবার, পানি, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।
প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা
২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইজতেমা ময়দানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
এ ছাড়া ইজতেমার সময় টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে গণপরিবহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনাতেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
আখেরি মোনাজাতে অংশ নেবেন লাখো মুসল্লি
বিশ্ব ইজতেমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণগুলোর একটি হলো আখেরি মোনাজাত। প্রতিটি পর্বের শেষ দিনে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।
মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও বিশ্বের মানুষের শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
তবে ইজতেমার চূড়ান্ত আয়োজন, স্থান, নিরাপত্তা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে জানানো হতে পারে।


























