হরমুজে ১০ জাহাজে ইরানের হামলা, লক্ষ্যবস্তু দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
- আপডেট সময় : ১২:০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে ১০টি জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। হামলার লক্ষ্যবস্তু জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং আটটি তেলবাহী ট্যাংকার রয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাতে এক বিবৃতিতে হামলার তথ্য জানিয়েছে আইআরজিসি। তবে হামলার শিকার আটটি ট্যাংকার কোন দেশের, তা জানানো হয়নি।
মার্কিন হামলার জবাবে অভিযান
আইআরজিসি জানিয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাব দিতেই হরমুজ প্রণালিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। এতে ইরানের পাঁচটি ট্যাংকার জাহাজ অকেজো করা হয় বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি ডেস্ট্রয়ারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে আইআরজিসি। তাদের দাবি, ওই হামলায় দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হয়েছে।
ট্যাংকারে হামলার হুঁশিয়ারি রুবিওর
বুধবার ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হরমুজে টহলরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলা বাড়ছে।
তিনি বলেন, এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নীতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
রুবিও আরও বলেন, ইরান যদি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো বন্ধ না করে, তাহলে তাদের বাণিজ্যিক ও ট্যাংকার জাহাজ হারাতে হবে।
একজন নাবিক নিহত
হরমুজে হামলার শিকার জাহাজগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি আইআরজিসি। তবে ব্রিটিশ জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, আইআরজিসির হামলায় ‘হারকিউলিস স্টার’ নামের একটি জাহাজের একজন নাবিক নিহত হয়েছেন।
এদিকে ইরাকের বন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের একটি ট্যাংকারও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ‘নিউ আন্দ্রোস’ নামের ট্যাংকারটিতে ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছিল।
ইরানের ড্রোনের আঘাতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে এতে থাকা ২২ জন নাবিকই নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
সূত্র: রয়টার্স





















