০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

স্বস্তি নেই নিত্যপণ্যের বাজারে

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে ভোগান্তি কমেনি সাধারণ মানুষের। আমদানির প্রভাবে গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কমেছে। তবে মাছ, মাংস, ডিম ও অধিকাংশ সবজির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি থাকায় বাজারে স্বস্তি ফিরেনি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজার ও মানভেদে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। গত সপ্তাহে একই মরিচের দাম ছিল প্রায় ৪০০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় সরবরাহ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, “আমদানি শুরু হওয়ার পর দাম কিছুটা কমেছে। তবে আগের বৃষ্টির কারণে অনেক সবজির সরবরাহ কম থাকায় সেগুলোর দাম এখনও বেশি।”

সবজির বাজারে লম্বা বেগুনের দাম কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি হয়েছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকা। তবে গোল বেগুন এখনও ১৫০ টাকা কেজি। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। ধুন্দল, লাউ, পটল, ঝিঙা ও চিচিঙা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং করলা ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে এসে বেসরকারি চাকরিজীবী সাত্তার হোসেন বলেন, “দুই-তিন ধরনের সবজি কিনতেই ৩০০-৪০০ টাকা চলে যায়। এরপর মাছ-মাংস কিনতে গেলে খরচ আরও বেড়ে যায়। বাজারে এসে এখনো স্বস্তি পাই না।”

মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৫০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা এবং লাল ডিম আকারভেদে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

মাছের বাজারেও দাম চড়া। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা এবং চিংড়ি আকারভেদে ১,০০০ থেকে ১,৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ইলিশের দামও বেড়েছে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, কাঁচামরিচের দাম কমলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে ভোক্তারা এখনও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি পাচ্ছেন না।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্বস্তি নেই নিত্যপণ্যের বাজারে

আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে ভোগান্তি কমেনি সাধারণ মানুষের। আমদানির প্রভাবে গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কমেছে। তবে মাছ, মাংস, ডিম ও অধিকাংশ সবজির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি থাকায় বাজারে স্বস্তি ফিরেনি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজার ও মানভেদে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। গত সপ্তাহে একই মরিচের দাম ছিল প্রায় ৪০০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় সরবরাহ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, “আমদানি শুরু হওয়ার পর দাম কিছুটা কমেছে। তবে আগের বৃষ্টির কারণে অনেক সবজির সরবরাহ কম থাকায় সেগুলোর দাম এখনও বেশি।”

সবজির বাজারে লম্বা বেগুনের দাম কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি হয়েছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকা। তবে গোল বেগুন এখনও ১৫০ টাকা কেজি। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। ধুন্দল, লাউ, পটল, ঝিঙা ও চিচিঙা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং করলা ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে এসে বেসরকারি চাকরিজীবী সাত্তার হোসেন বলেন, “দুই-তিন ধরনের সবজি কিনতেই ৩০০-৪০০ টাকা চলে যায়। এরপর মাছ-মাংস কিনতে গেলে খরচ আরও বেড়ে যায়। বাজারে এসে এখনো স্বস্তি পাই না।”

মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৫০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা এবং লাল ডিম আকারভেদে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

মাছের বাজারেও দাম চড়া। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা এবং চিংড়ি আকারভেদে ১,০০০ থেকে ১,৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ইলিশের দামও বেড়েছে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, কাঁচামরিচের দাম কমলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে ভোক্তারা এখনও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি পাচ্ছেন না।