০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

চীনকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার বললেন রাষ্ট্রপতি

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণই উপকৃত হবেন।

মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাৎকালে মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। বিশেষ করে বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়ন দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়লে দেশে নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে দুই দেশ বিভিন্ন সময়ে একসঙ্গে কাজ করেছে।

লিউ হাইশিংয়ের এই সাক্ষাৎ দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

চীনকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার বললেন রাষ্ট্রপতি

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণই উপকৃত হবেন।

মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাৎকালে মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। বিশেষ করে বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়ন দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়লে দেশে নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে দুই দেশ বিভিন্ন সময়ে একসঙ্গে কাজ করেছে।

লিউ হাইশিংয়ের এই সাক্ষাৎ দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।