০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রবর্তক স্কুলের শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬০৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। বছরে অন্তত একবার ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থীকে সংসদ ভবন ঘুরে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশের আইনসভা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভের সুযোগ পাবে।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন এই সংসদ সদস্য।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশে প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অভিভাবক সভারও আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরেও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান সাঈদ আল নোমান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরে অন্তত একবার ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী এ সুযোগ পাবে। সংসদ ভবন পরিদর্শনের মাধ্যমে তারা দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি আইন প্রণয়ন এবং সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কেও ধারণা লাভ করবে।

শিক্ষাজীবনে এ ধরনের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ তাদের মধ্যে নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো সম্পর্কে জানার আগ্রহও বাড়বে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণমুক্ত রাখার আহ্বান

অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রভাব এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা। এ জন্য প্রয়োজন শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। খেলাধুলা, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি এসব কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা জরুরি।

দেড় হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। দিনব্যাপী এ আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ শাখার প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পায় তারা। এ ছাড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে কৃতিত্ব অর্জনকারী ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

বার্ষিক এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের পাশাপাশি সুস্থ প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। একই সঙ্গে দলগত কাজ, নেতৃত্ব এবং সৃজনশীল চিন্তার চর্চাও বাড়ে।

শিক্ষার্থীদের বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব

শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও গুরুত্বপূর্ণ। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সহশিক্ষা কার্যক্রম আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিভা অনুযায়ী অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব উঠে আসে। পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে কৃতিত্ব অর্জনকারীদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ফলে অন্য শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত হতে পারে।

অভিভাবক সভায় উপস্থিত ছিলেন যারা

বার্ষিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি অভিভাবক সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও মানসিক বিকাশে পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগ শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য অধ্যাপক রীতা দত্ত এবং শিক্ষানুরাগী সদস্য সালাহ উদ্দীন মোহাম্মদ রেজা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি ইন্দু নন্দন দত্ত। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে আসে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রবর্তক স্কুলের শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। বছরে অন্তত একবার ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থীকে সংসদ ভবন ঘুরে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশের আইনসভা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভের সুযোগ পাবে।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন এই সংসদ সদস্য।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশে প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অভিভাবক সভারও আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরেও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান সাঈদ আল নোমান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরে অন্তত একবার ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী এ সুযোগ পাবে। সংসদ ভবন পরিদর্শনের মাধ্যমে তারা দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি আইন প্রণয়ন এবং সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কেও ধারণা লাভ করবে।

শিক্ষাজীবনে এ ধরনের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ তাদের মধ্যে নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো সম্পর্কে জানার আগ্রহও বাড়বে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণমুক্ত রাখার আহ্বান

অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রভাব এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা। এ জন্য প্রয়োজন শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। খেলাধুলা, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি এসব কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা জরুরি।

দেড় হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। দিনব্যাপী এ আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ শাখার প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পায় তারা। এ ছাড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে কৃতিত্ব অর্জনকারী ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

বার্ষিক এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের পাশাপাশি সুস্থ প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। একই সঙ্গে দলগত কাজ, নেতৃত্ব এবং সৃজনশীল চিন্তার চর্চাও বাড়ে।

শিক্ষার্থীদের বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব

শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও গুরুত্বপূর্ণ। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সহশিক্ষা কার্যক্রম আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিভা অনুযায়ী অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব উঠে আসে। পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে কৃতিত্ব অর্জনকারীদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ফলে অন্য শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত হতে পারে।

অভিভাবক সভায় উপস্থিত ছিলেন যারা

বার্ষিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি অভিভাবক সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও মানসিক বিকাশে পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগ শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য অধ্যাপক রীতা দত্ত এবং শিক্ষানুরাগী সদস্য সালাহ উদ্দীন মোহাম্মদ রেজা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি ইন্দু নন্দন দত্ত। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে আসে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।