প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত সেই বৃদ্ধার মৃত্যু
- আপডেট সময় : ০১:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫২ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় আহত ফিরোজা বেগম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সড়ক পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা থেকে জয়পুরহাট-২ আসনের নিজের নির্বাচনী এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে গোপীনাথপুর এলাকায় সড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন ফিরোজা বেগম।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই সময় প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়িচালক নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানক্ষেতে পড়ে যায়।
প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আহত
দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ও তার স্ত্রীও সামান্য আহত হন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয় বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ফিরোজা বেগম। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ফিরোজা বেগমের মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
মরদেহ পুলিশ হেফাজতে
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, ফিরোজা বেগমের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার পর গাড়িটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে পড়ে যায় এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফিরোজা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




















