০১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশান-৩ নম্বর সড়কের কেএফসি গলিতে মিছিলের চেষ্টা করা হয়। এ সময় পুলিশ দুজনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ককটেল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মিছিলের ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর গুলশান এলাকায় নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।

গুলশানে ১৫০ থেকে ২০০ জনের জমায়েত

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হন। তারা সেখানে মিছিল বের করার চেষ্টা করেন।

এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করার উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে পুলিশের এক উপপরিদর্শক দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্রুত বিভিন্ন দিকে সরে যান। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থল ফাঁকা হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল পাঁচটি ককটেল

পুলিশের দাবি, মিছিলকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে যান। পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

মিছিল ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

মাত্র ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় মিছিল

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গুলশানের ওই মিছিলটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হয়। প্রায় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই পুলিশি তৎপরতায় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

মিছিলকারীরা গুলশান-৩ নম্বর সড়কের কেএফসি গলিসহ আশপাশের এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। তবে পুলিশের বাধার মুখে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ঘটনার পর গুলশান এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়।

গ্রেপ্তার ৩২, অভিযান অব্যাহত

ডিএমপি জানিয়েছে, মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের পরিচয় বা তাদের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগে মামলা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

পুলিশ বলছে, মিছিলে অংশ নেওয়া আরও ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের তথ্য ও বিভিন্ন উৎসের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শনাক্ত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন জানান, ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে গুলশান এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা কর্মসূচি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সহিংসতা বা নাশকতার আশঙ্কা থাকায় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশান-৩ নম্বর সড়কের কেএফসি গলিতে মিছিলের চেষ্টা করা হয়। এ সময় পুলিশ দুজনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ককটেল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মিছিলের ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর গুলশান এলাকায় নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।

গুলশানে ১৫০ থেকে ২০০ জনের জমায়েত

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হন। তারা সেখানে মিছিল বের করার চেষ্টা করেন।

এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করার উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে পুলিশের এক উপপরিদর্শক দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্রুত বিভিন্ন দিকে সরে যান। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থল ফাঁকা হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল পাঁচটি ককটেল

পুলিশের দাবি, মিছিলকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে যান। পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

মিছিল ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

মাত্র ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় মিছিল

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গুলশানের ওই মিছিলটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হয়। প্রায় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই পুলিশি তৎপরতায় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

মিছিলকারীরা গুলশান-৩ নম্বর সড়কের কেএফসি গলিসহ আশপাশের এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। তবে পুলিশের বাধার মুখে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ঘটনার পর গুলশান এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়।

গ্রেপ্তার ৩২, অভিযান অব্যাহত

ডিএমপি জানিয়েছে, মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের পরিচয় বা তাদের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগে মামলা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

পুলিশ বলছে, মিছিলে অংশ নেওয়া আরও ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের তথ্য ও বিভিন্ন উৎসের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শনাক্ত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন জানান, ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে গুলশান এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা কর্মসূচি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সহিংসতা বা নাশকতার আশঙ্কা থাকায় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।