০৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই হবে সাইবার সুরক্ষা আইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেন, নতুন আইন ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কোনো ব্যক্তির কণ্ঠ রোধের সুযোগ রাখা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অপব্যবহারের সুযোগ রাখা হবে না

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ থেকে ২০ বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইন ব্যবহার করে কিছু সংবাদমাধ্যমকে দমিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। তাই নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার সতর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি আইন এক দিনের জন্য তৈরি হয় না। ফলে আইনের কোনো শব্দ বা বিধান যেন ভবিষ্যতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন আইনের অন্যতম লক্ষ্য সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা। একই সঙ্গে নৈতিকতার অবক্ষয় ঠেকানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নিয়ে আলোচনা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ, অপমানজনক ভাষা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তবে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, আগের মতো কারও কণ্ঠ দমন করার জন্য এই আইন করা হচ্ছে না। বর্তমানে আইনের খসড়া প্রণয়ন ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এ ছাড়া জনসচেতনতা বাড়াতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ক্ষতিকর কনটেন্ট বন্ধে গুরুত্ব

সভায় টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মেটা, টিকটক ও ইউটিউবের মতো সাইবার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন।

তিনি বলেন, এসব প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তির চরিত্র হনন, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক ক্ষতির মতো ঘটনা ঘটছে। তাই ক্ষতিকর কনটেন্ট কীভাবে বন্ধ করা যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের লক্ষ্যেই আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের লক্ষ্য

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। এসব থেকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইসিটি, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইন্টারনেটের ক্ষতিকর দিক থেকে মানুষকে সুরক্ষার পাশাপাশি একটি যুগোপযোগী আইন প্রণয়নই এই কমিটির লক্ষ্য।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই হবে সাইবার সুরক্ষা আইন

আপডেট সময় : ০৩:০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেন, নতুন আইন ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কোনো ব্যক্তির কণ্ঠ রোধের সুযোগ রাখা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অপব্যবহারের সুযোগ রাখা হবে না

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ থেকে ২০ বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইন ব্যবহার করে কিছু সংবাদমাধ্যমকে দমিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। তাই নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার সতর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি আইন এক দিনের জন্য তৈরি হয় না। ফলে আইনের কোনো শব্দ বা বিধান যেন ভবিষ্যতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন আইনের অন্যতম লক্ষ্য সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা। একই সঙ্গে নৈতিকতার অবক্ষয় ঠেকানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নিয়ে আলোচনা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ, অপমানজনক ভাষা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তবে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, আগের মতো কারও কণ্ঠ দমন করার জন্য এই আইন করা হচ্ছে না। বর্তমানে আইনের খসড়া প্রণয়ন ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এ ছাড়া জনসচেতনতা বাড়াতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ক্ষতিকর কনটেন্ট বন্ধে গুরুত্ব

সভায় টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মেটা, টিকটক ও ইউটিউবের মতো সাইবার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন।

তিনি বলেন, এসব প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তির চরিত্র হনন, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক ক্ষতির মতো ঘটনা ঘটছে। তাই ক্ষতিকর কনটেন্ট কীভাবে বন্ধ করা যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের লক্ষ্যেই আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের লক্ষ্য

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। এসব থেকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইসিটি, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইন্টারনেটের ক্ষতিকর দিক থেকে মানুষকে সুরক্ষার পাশাপাশি একটি যুগোপযোগী আইন প্রণয়নই এই কমিটির লক্ষ্য।