গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্রের ভিত আরও মজবুত হবে: মির্জা ফখরুল
- আপডেট সময় : ০৩:৩৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যম অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গণমাধ্যম যত শক্তিশালী হবে, গণতন্ত্রও তত বেশি সুসংহত হবে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। গণমাধ্যম, সংবাদমাধ্যমের মালিকপক্ষ, সাংবাদিক সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—সব পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো ব্যবস্থা নয়; এটি একটি চলমান সংস্কৃতি। তাই ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে না পারলে গণতন্ত্রও দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তি পাবে না।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সত্য তুলে ধরা গণমাধ্যমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সাংবাদিকদের কোনো ধরনের আত্মসেন্সরশিপে না গিয়ে নিরপেক্ষ, সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে অটল থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এসব নিশ্চয়তা থাকলে গণমাধ্যম আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে কাজ করতে পারবে।
মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে টেকসই করতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা ও সহনশীলতার চর্চা বাড়লে গণমাধ্যম জনগণের আস্থা অর্জন করবে এবং গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিক।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




















