০১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৬। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ভোরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

ভোরে আঘাত হানে ভূমিকম্প

ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর অবস্থান ছিল উত্তর-পূর্ব জাভা প্রদেশের তেলুকনাগার কাছে।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার গভীরে। ফলে এটি ছিল একটি গভীর ভূমিকম্প। গভীরতার কারণে ভূমিকম্পের কম্পন জাভার বিস্তৃত এলাকায় অনুভূত হয়ে থাকতে পারে।

ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৬ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা ব্যাপক ধ্বংসের খবর পাওয়া যায়নি।

হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নেই

ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি।

তবে ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করা হয়ে থাকে। দুর্গম এলাকা ও যোগাযোগব্যবস্থার কারণে অনেক সময় প্রাথমিকভাবে সব তথ্য পাওয়া যায় না। তাই পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

ভূমিকম্পপ্রবণ ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এ কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

‘রিং অব ফায়ার’ হলো প্রশান্ত মহাসাগর ঘিরে থাকা একটি সক্রিয় ভূ-তাত্ত্বিক অঞ্চল। এখানে বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে ব্যাপক নড়াচড়া ঘটে। ফলে এই অঞ্চলের দেশগুলোতে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকি বেশি।

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ভবন, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

এদিকে সর্বশেষ ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল অনেক গভীরে হওয়ায় এর প্রভাব ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থাগুলোর পরবর্তী তথ্যের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৬। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ভোরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

ভোরে আঘাত হানে ভূমিকম্প

ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর অবস্থান ছিল উত্তর-পূর্ব জাভা প্রদেশের তেলুকনাগার কাছে।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার গভীরে। ফলে এটি ছিল একটি গভীর ভূমিকম্প। গভীরতার কারণে ভূমিকম্পের কম্পন জাভার বিস্তৃত এলাকায় অনুভূত হয়ে থাকতে পারে।

ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৬ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা ব্যাপক ধ্বংসের খবর পাওয়া যায়নি।

হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নেই

ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি।

তবে ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করা হয়ে থাকে। দুর্গম এলাকা ও যোগাযোগব্যবস্থার কারণে অনেক সময় প্রাথমিকভাবে সব তথ্য পাওয়া যায় না। তাই পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

ভূমিকম্পপ্রবণ ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এ কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

‘রিং অব ফায়ার’ হলো প্রশান্ত মহাসাগর ঘিরে থাকা একটি সক্রিয় ভূ-তাত্ত্বিক অঞ্চল। এখানে বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে ব্যাপক নড়াচড়া ঘটে। ফলে এই অঞ্চলের দেশগুলোতে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকি বেশি।

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ভবন, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

এদিকে সর্বশেষ ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল অনেক গভীরে হওয়ায় এর প্রভাব ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থাগুলোর পরবর্তী তথ্যের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।