একনেক সভায় বাতিল তুরাগ নদ প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
তুরাগ নদীর পানির মান উন্নয়ন ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে নেওয়া ১৮৩ কোটি টাকার প্রকল্পে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব অনুমোদন করেনি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বুধবার (৪ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত প্রকল্পটির আওতায় বিদেশে পাঁচটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। এসব প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
বিদেশ প্রশিক্ষণে ব্যয়ের প্রস্তাব ছিল আড়াই কোটি টাকা
প্রস্তাবিত প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছিল। বিশ্বব্যাংকের ঋণের অর্থে বাস্তবায়নের প্রস্তাবিত এ প্রকল্পে পাঁচটি পৃথক বিদেশ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়।
এতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ছাড়াও পরিকল্পনা কমিশন, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এবং প্রোগ্রামিং ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব ছিল।
প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হয় আলোচনা-সমালোচনা
তুরাগ নদের দূষণ রোধ ও পানির মান উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য ঋণের অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাবটি নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছিল।
এ বিষয়ে ‘তুরাগ নদের দূষণ ঠেকানো শিখতে ঋণের টাকায় বিদেশ যাবেন সরকারি কর্মকর্তারা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি বিদেশ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল।
এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত বুধবারের একনেক সভায় বিদেশে প্রশিক্ষণের প্রস্তাবটি অনুমোদন পায়নি।
তুরাগ নদ পুনরুদ্ধারে ১৮৩ কোটি টাকার প্রকল্প
তুরাগ নদীর পানির গুণগত মান উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য। রাজধানী ও আশপাশের পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ নদীর দূষণ কমাতে প্রকল্পটি নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
তবে প্রকল্পের বিদেশ প্রশিক্ষণ খাতের প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন না পাওয়ায় এ খাতে প্রস্তাবিত ব্যয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।




















