বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
- আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা-গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পাকিস্তান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মাদ ওয়াসিফ, পলিটিক্যাল কাউন্সেলর কামরান দাংগাল এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব
বৈঠকটি আন্তরিক, ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ককে ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে আরও এগিয়ে নিতে তার দেশ আগ্রহী। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সফরের বিষয়টি তুলে ধরেন।
শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ
বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার নোলেজ করিডোর প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের একটি প্রতিনিধিদলের সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফরের বিষয়েও আলোচনা হয়।
ওই সফরে বাংলাদেশের শিক্ষাবিদেরা পাকিস্তানের শিক্ষা কাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাঁদের সফরের অভিজ্ঞতা নিয়েও বৈঠকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্ঞান বিনিময় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের প্রত্যাশা
বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে। পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
























