গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি
- আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে কাজ করলে তা সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে জনগণের।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
গণতন্ত্র এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা ও ইতিবাচক ভূমিকা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে জনগণের স্বার্থ ও অধিকার তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে, তাহলে এর সুফল সাধারণ মানুষ পাবে। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্তভাবে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি মনে করেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকা প্রয়োজন। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ও চাকরিচ্যুতির সমস্যা সমাধানের তাগিদ
সাক্ষাৎকালে সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করা এবং অন্যায়ভাবে চাকরি হারানোর মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলেও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা জোরদার করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন।
























