০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ত্রিদেশীয় সিরিজ: ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন করে ফেলেছে বাংলাদেশ। এখন ফাইনালে জায়গা করে নিতে অন্য ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি নিজেদের পারফরম্যান্সের দিকেও নজর রাখতে হবে টাইগারদের।

জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান ম্যাচে বাংলাদেশের নজর

সিরিজের নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ২৭৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তাওহিদ হৃদয়ের দল গুটিয়ে যায় মাত্র ১৭২ রানে।

এই হারের কারণে বাংলাদেশের নেট রানরেট দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১.৯৮০। ফলে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এখন বেশ চাপের মুখে রয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা।

ফাইনালে যেতে কী করতে হবে বাংলাদেশকে?

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ফল হবে জিম্বাবুয়ের জয়। জিম্বাবুয়ে আফগানিস্তানকে হারালে ফাইনালে ওঠার সমীকরণ বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে যাবে।

সে ক্ষেত্রে আগামী ২০ অক্টোবর শারজায় বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি কার্যত ভার্চুয়াল সেমিফাইনালে পরিণত হবে। ওই ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারাতে পারলেই ফাইনালে ওঠার পথ পরিষ্কার হবে বাংলাদেশের। তবে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে পয়েন্ট ও নেট রানরেটের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ে যদি আফগানিস্তানের কাছে হেরে যায়, তাহলে বাংলাদেশের সামনে তৈরি হবে কঠিন সমীকরণ। তখন শুধু আফগানিস্তানকে হারালেই চলবে না, নেট রানরেটেও উন্নতি করতে হবে।

নেট রানরেটই হতে পারে বড় বাধা

প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয়ের কারণে নেট রানরেটে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। কত রানের ব্যবধানে জিততে হবে, তা নির্ভর করবে জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান ম্যাচের ফল এবং সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পয়েন্ট ও রানরেটের ওপর।

এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ায় আপাতত নেট রানরেটের দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশের প্রথম চাওয়া জিম্বাবুয়ের জয়। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে জিতে নিতে হবে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। তবে আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েকে হারালে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়বে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ত্রিদেশীয় সিরিজ: ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ

আপডেট সময় : ০৩:০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন করে ফেলেছে বাংলাদেশ। এখন ফাইনালে জায়গা করে নিতে অন্য ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি নিজেদের পারফরম্যান্সের দিকেও নজর রাখতে হবে টাইগারদের।

জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান ম্যাচে বাংলাদেশের নজর

সিরিজের নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ২৭৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তাওহিদ হৃদয়ের দল গুটিয়ে যায় মাত্র ১৭২ রানে।

এই হারের কারণে বাংলাদেশের নেট রানরেট দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১.৯৮০। ফলে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এখন বেশ চাপের মুখে রয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা।

ফাইনালে যেতে কী করতে হবে বাংলাদেশকে?

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ফল হবে জিম্বাবুয়ের জয়। জিম্বাবুয়ে আফগানিস্তানকে হারালে ফাইনালে ওঠার সমীকরণ বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে যাবে।

সে ক্ষেত্রে আগামী ২০ অক্টোবর শারজায় বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি কার্যত ভার্চুয়াল সেমিফাইনালে পরিণত হবে। ওই ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারাতে পারলেই ফাইনালে ওঠার পথ পরিষ্কার হবে বাংলাদেশের। তবে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে পয়েন্ট ও নেট রানরেটের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ে যদি আফগানিস্তানের কাছে হেরে যায়, তাহলে বাংলাদেশের সামনে তৈরি হবে কঠিন সমীকরণ। তখন শুধু আফগানিস্তানকে হারালেই চলবে না, নেট রানরেটেও উন্নতি করতে হবে।

নেট রানরেটই হতে পারে বড় বাধা

প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয়ের কারণে নেট রানরেটে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। কত রানের ব্যবধানে জিততে হবে, তা নির্ভর করবে জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান ম্যাচের ফল এবং সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পয়েন্ট ও রানরেটের ওপর।

এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ায় আপাতত নেট রানরেটের দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশের প্রথম চাওয়া জিম্বাবুয়ের জয়। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে জিতে নিতে হবে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। তবে আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েকে হারালে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়বে।