একাদশ ভর্তিতে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের ফের আবেদনের সুযোগ
- আপডেট সময় : ০১:৫৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের আবারও আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরাও নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ও আগামীকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সংশোধিত ফল একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদনের পোর্টালে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে আগে আবেদন না করা শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।
এ ছাড়া যারা ইতোমধ্যে আবেদন করেছেন, তারাও নিজেদের আবেদন পরিমার্জনের সুযোগ পাবেন।
আবেদন করতে পারবেন যারা
গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীরাও নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। শনিবার ও রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত এই আবেদন করা যাবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয় গত ২ সেপ্টেম্বর। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনেরও সুযোগ থাকবে।
কবে ফল ও ভর্তি
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।
এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।
থাকছে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ
এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
অন্যদিকে, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগের পাশাপাশি পরস্পরের বিভাগেও আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।
৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে এসব আসন পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
এ ছাড়া সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে বিভাগ ও বিষয়ভিত্তিক নম্বরও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।


























