০১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রিকস সম্মেলন শুরু আজ, ৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলন চলবে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত। সম্মেলনে যোগ দিতে ইতোমধ্যে বেইজিং ছেড়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে প্রায় সাত বছর পর নয়াদিল্লি সফর করছেন তিনি।

সম্মেলনের পাশাপাশি শনিবার মোদি ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। ফলে ব্রিকস সম্মেলনের পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাত বছর পর ভারত সফরে শি

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়। ওই ঘটনার পর এই প্রথম ভারত সফর করছেন শি জিনপিং।

গালওয়ান সংঘর্ষের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন উত্তেজনা ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়তে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার কাজান ও চীনের তিয়ানজিনে মোদি ও শি জিনপিং বৈঠক করেন।

এবার নয়াদিল্লিতে তাদের বৈঠক হতে যাচ্ছে। তাই দুই নেতার এই সাক্ষাৎকে ভারত-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিকস সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে বৈশ্বিক নানা ইস্যু

১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতারা বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনীতি ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোও সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।

এদিকে শি জিনপিংয়ের ভারত সফরকে ঘিরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত ইস্যু, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে।

শির সঙ্গে থাকছেন ওয়াং ই

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ভারত সফর করছে।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পরিচালক সাই চি। এছাড়া রয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই।

ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে শি জিনপিংয়ের নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মতপার্থক্য মোকাবিলায় জোর

ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত সু ফেইহং বলেছেন, দুই দেশ পারস্পরিক মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। মোদি ও শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে ভারত ও চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও মোদি-শি বৈঠক নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানান, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর সরাসরি সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন দুই নেতা।

সব মিলিয়ে ব্রিকস সম্মেলন এবং মোদি-শি বৈঠক ঘিরে নয়াদিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ব্রিকস সম্মেলন শুরু আজ, ৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং

আপডেট সময় : ১২:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলন চলবে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত। সম্মেলনে যোগ দিতে ইতোমধ্যে বেইজিং ছেড়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে প্রায় সাত বছর পর নয়াদিল্লি সফর করছেন তিনি।

সম্মেলনের পাশাপাশি শনিবার মোদি ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। ফলে ব্রিকস সম্মেলনের পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাত বছর পর ভারত সফরে শি

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়। ওই ঘটনার পর এই প্রথম ভারত সফর করছেন শি জিনপিং।

গালওয়ান সংঘর্ষের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন উত্তেজনা ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়তে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার কাজান ও চীনের তিয়ানজিনে মোদি ও শি জিনপিং বৈঠক করেন।

এবার নয়াদিল্লিতে তাদের বৈঠক হতে যাচ্ছে। তাই দুই নেতার এই সাক্ষাৎকে ভারত-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিকস সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে বৈশ্বিক নানা ইস্যু

১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতারা বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনীতি ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোও সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।

এদিকে শি জিনপিংয়ের ভারত সফরকে ঘিরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত ইস্যু, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে।

শির সঙ্গে থাকছেন ওয়াং ই

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ভারত সফর করছে।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পরিচালক সাই চি। এছাড়া রয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই।

ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে শি জিনপিংয়ের নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মতপার্থক্য মোকাবিলায় জোর

ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত সু ফেইহং বলেছেন, দুই দেশ পারস্পরিক মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। মোদি ও শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে ভারত ও চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও মোদি-শি বৈঠক নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানান, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর সরাসরি সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন দুই নেতা।

সব মিলিয়ে ব্রিকস সম্মেলন এবং মোদি-শি বৈঠক ঘিরে নয়াদিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।