ইউসিএলে ম্যানসিটির হয়ে অভিষেকেই প্রশংসায় বুয়াদ্দি
- আপডেট সময় : ০১:০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নতুন মৌসুমের শুরুটা দারুণ হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটির। পোর্তোর মাঠে ২-০ গোলের জয় দিয়ে ইউরোপীয় মঞ্চে যাত্রা শুরু করেছে ইংলিশ ক্লাবটি। দলের জয়ে জোড়া গোল করে আলো কেড়েছেন আর্লিং হালান্ড। তবে তারকাখচিত এই রাতেও নজর কেড়েছেন তরুণ মরক্কান মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দি।
অভিষেকেই নজর কাড়লেন বুয়াদ্দি
লিল থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়া ১৯ বছর বয়সী বুয়াদ্দিকে পোর্তোর বিপক্ষে প্রথমবারের মতো শুরু থেকেই মাঠে নামান কোচ এনজো মারেসকা। শুরুতেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন এই তরুণ।
মাঝমাঠে বল নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত পাস এবং প্রতিপক্ষের চাপ সামলে খেলার ক্ষেত্রে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন বুয়াদ্দি। ম্যাচে তার সঙ্গে এনজো ফার্নান্দেজের বোঝাপড়াও সিটির আক্রমণে গতি বাড়িয়েছে।
পাসিংয়ে দুর্দান্ত বুয়াদ্দি
বুয়াদ্দির পারফরম্যান্সের অন্যতম দিক ছিল তার নিখুঁত পাসিং। ম্যাচে ৫৫টি পাসের মধ্যে ৫৪টিই সফলভাবে সতীর্থদের কাছে পৌঁছে দেন তিনি।
এমন পারফরম্যান্সে মাঝমাঠে সিটির নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হয়েছে। বয়স মাত্র ১৯ হলেও বড় মঞ্চে তার মধ্যে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়নি।
কোচের প্রশংসায় তরুণ মিডফিল্ডার
ম্যাচ শেষে বুয়াদ্দির প্রশংসা করেছেন সিটি কোচ এনজো মারেসকা। তার মতে, বয়সের তুলনায় বুয়াদ্দির পরিপক্বতা ও মানসিক দৃঢ়তা আলাদা করে নজর কেড়েছে।
মারেসকা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেও বুয়াদ্দির মধ্যে উদ্বেগ দেখা যায় না। একজন তরুণ ফুটবলারের কাছ থেকে এমন আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স পাওয়া বিশেষ কিছু বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘অমূল্য রত্ন’ বললেন হালান্ড
বুয়াদ্দির প্রশংসায় যোগ দিয়েছেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা আর্লিং হালান্ডও। অনুশীলনে তরুণ সতীর্থের পারফরম্যান্স দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন বলে জানান।
হালান্ডের ভাষায়, বুয়াদ্দির মধ্যে সিটি একটি ‘অমূল্য রত্ন’ পেয়েছে। তবে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে নিজে ফাঁকায় থাকা অবস্থায় বুয়াদ্দির পাস না দেওয়ার বিষয়টি মজার ছলে উল্লেখ করেছেন নরওয়েজিয়ান তারকা।
হালান্ডের জোড়া গোলে সিটির জয়
পোর্তোর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য ছিল। স্বাগতিক গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তার বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভে গোল পায়নি সিটি।
তবে বিরতির পর দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় সফরকারীরা। এনজো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন হালান্ড। পরে যোগ করা সময়ে রায়ান আইত-নুরির পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শুরুতেই বুয়াদ্দির এমন পারফরম্যান্স তাই ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ বাড়িয়েছে। বড় মঞ্চে তরুণ এই মিডফিল্ডার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে সিটির মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাকে।




















