০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প ও বহুমুখী জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ও বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, কোনো একটি নির্দিষ্ট জ্বালানি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যুদ্ধ বা বৈশ্বিক সংকটের সময় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে এর বড় প্রভাব পড়ে। তাই জ্বালানি খাতে বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সৌরবিদ্যুৎ ও এলএনজিতে গুরুত্ব

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি উৎস নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজির নতুন উৎস এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভবনকে শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও স্থাপনায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের বিষয়েও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান শামা ওবায়েদ। এ ক্ষেত্রে চীন ও জাপানসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। একই সঙ্গে এলএনজি আমদানিতে একাধিক উৎস নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থনৈতিক কূটনীতি

শামা ওবায়েদ বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের হয়রানি কমাতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’-এর আদলে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সেবাগুলো আরও সহজ করতে ডিজিটাল ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে শুধু বন্যা, অবৈধ অভিবাসন বা সংকটের দেশ হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চায় না সরকার। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতিকেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা হবে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা সংকট

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসার পর এই অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, এবারের অধিবেশনে উন্নয়নের অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি প্রতিরোধ এবং পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবর্তন কখনো একদিনে সম্ভব নয়। তবে সরকার বিভিন্ন খাতে গুণগত পরিবর্তন আনার কাজ শুরু করেছে। বাংলাদেশকে একটি আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরাই সরকারের লক্ষ্য।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

আপডেট সময় : ১২:৫২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প ও বহুমুখী জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ও বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, কোনো একটি নির্দিষ্ট জ্বালানি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যুদ্ধ বা বৈশ্বিক সংকটের সময় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে এর বড় প্রভাব পড়ে। তাই জ্বালানি খাতে বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সৌরবিদ্যুৎ ও এলএনজিতে গুরুত্ব

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি উৎস নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজির নতুন উৎস এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভবনকে শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও স্থাপনায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের বিষয়েও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান শামা ওবায়েদ। এ ক্ষেত্রে চীন ও জাপানসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। একই সঙ্গে এলএনজি আমদানিতে একাধিক উৎস নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থনৈতিক কূটনীতি

শামা ওবায়েদ বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের হয়রানি কমাতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’-এর আদলে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সেবাগুলো আরও সহজ করতে ডিজিটাল ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে শুধু বন্যা, অবৈধ অভিবাসন বা সংকটের দেশ হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চায় না সরকার। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতিকেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা হবে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা সংকট

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসার পর এই অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, এবারের অধিবেশনে উন্নয়নের অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি প্রতিরোধ এবং পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবর্তন কখনো একদিনে সম্ভব নয়। তবে সরকার বিভিন্ন খাতে গুণগত পরিবর্তন আনার কাজ শুরু করেছে। বাংলাদেশকে একটি আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরাই সরকারের লক্ষ্য।