কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ টুর্নামেন্ট
- আপডেট সময় : ১২:১৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
চলতি বছর মাঠে গড়াচ্ছে না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। এক বছর বিরতি দিয়ে আগামী বছর আরও গোছানো ও পরিকল্পিতভাবে দেশের সবচেয়ে বড় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন একটি উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বোর্ড।
এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নামে নতুন আঙ্গিকে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বিসিবি। টুর্নামেন্টটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড় ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।
বাড়বে খেলোয়াড় ও ফ্র্যাঞ্চাইজির সম্পৃক্ততা
নতুন এই উদ্যোগকে ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিসিবি পরিচালক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট যেটা হচ্ছে, এটা অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের অনেক কিছু বদলে যাবে। খেলোয়াড়, ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক যারা থাকবেন, তাদের সম্পৃক্ততা বাড়বে।’
নান্নুর মতে, টুর্নামেন্টটি পুরো বাংলাদেশজুড়ে আয়োজন করা হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রিকেটাররা আরও বেশি সুযোগ ও অনুপ্রেরণা পাবেন।
তিনি বলেন, ‘পুরো বাংলাদেশব্যাপী খেলা হবে, অনেকগুলো ভেন্যুতে খেলা হবে। অনেক কিছুরই উন্নতি হবে। দেখবেন, আমাদের অন্যান্য জেলার খেলোয়াড়রা একটু উৎসাহিত হবে। যারা তরুণ খেলোয়াড় আছে, তারাও অনুপ্রাণিত হবে। আমি আশা করি, এই টুর্নামেন্ট হলে খেলোয়াড়রা যথেষ্ট উপকৃত হবে।’
কবে শুরু, জানায়নি বিসিবি
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ঠিক কবে মাঠে গড়াবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানাতে পারেননি নান্নু। তবে শিগগিরই বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ টুর্নামেন্টের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও সময়সূচি জানাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে পরিচালনার পরিকল্পনা
নতুন এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হতে পারে এর পরিচালন কাঠামো। ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ আয়োজনের চিন্তা করছে বিসিবি।
নান্নু বলেন, ‘এটা হলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা উন্নতি হবে। কাউন্টি দলগুলো যেভাবে ওউন করে, যেভাবে চালায়, ঠিক সেই আঙ্গিকে একটা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’
তার মতে, এ ধরনের কাঠামো চালু হলে শুধু ক্রিকেটাররাই নন, দেশের আঞ্চলিক ক্রিকেট অবকাঠামোও উপকৃত হবে। পাশাপাশি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দায়িত্বও বাড়বে।
নান্নুর ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, এখান থেকে খেলোয়াড়রা যথেষ্ট উপকৃত হবে, আঞ্চলিক অবকাঠামোগুলো উপকৃত হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি যারা আসবে, তাদেরও দায়িত্ব অনেক বেশি থাকবে।’
বিপিএলের বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রিকেটারদের আরও বেশি সুযোগ করে দেওয়া এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





















