০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুসে হাজারো মানুষ অংশ নেন। সাদা পোশাক ও টুপি পরা মানুষের পাশাপাশি শোভাযাত্রায় ছিল কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড, রঙিন ফেস্টুন ও জাতীয় পতাকা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে জশনে জুলুস

ভোরের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী মানুষ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে উদ্যানটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার সামনে থাকা বড় ব্যানারে ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ ও ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’ লেখা ছিল। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমা খচিত পতাকা ও বিভিন্ন বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড। অনেকেই বড় জাতীয় পতাকা নিয়েও অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় ‘নারায়ে তাকবীর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত’সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া হয়। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

শান্তি ও মানবতার বার্তা

জশনে জুলুস শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার মধ্যে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

বক্তারা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ নয়। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মহাসমাবেশে নারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। পরে দেশ, জাতি, শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ সুফি ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুসে হাজারো মানুষ অংশ নেন। সাদা পোশাক ও টুপি পরা মানুষের পাশাপাশি শোভাযাত্রায় ছিল কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড, রঙিন ফেস্টুন ও জাতীয় পতাকা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে জশনে জুলুস

ভোরের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী মানুষ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে উদ্যানটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার সামনে থাকা বড় ব্যানারে ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ ও ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’ লেখা ছিল। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমা খচিত পতাকা ও বিভিন্ন বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড। অনেকেই বড় জাতীয় পতাকা নিয়েও অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় ‘নারায়ে তাকবীর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত’সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া হয়। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

শান্তি ও মানবতার বার্তা

জশনে জুলুস শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার মধ্যে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

বক্তারা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ নয়। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মহাসমাবেশে নারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। পরে দেশ, জাতি, শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ সুফি ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।