নবীজির নীতিতে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: রিজভী
- আপডেট সময় : ০১:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩২ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করা প্রয়োজন। তাঁর দেখানো পথে চললে মানুষ অন্যায় ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে। একই সঙ্গে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করা হলে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলে কেউ বিপথগামী হবে না।
সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি
বিএনপির এই নেতা বলেন, উত্তাল গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা স্বৈরশাসকের পতন ঘটিয়েছে। এরপর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের অঙ্গীকার হলো সব ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
রিজভীর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই জবাবদিহি নিশ্চিত করেছেন। গণমাধ্যম, সংসদ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সামনে মন্ত্রীরা জবাবদিহি করছেন। এর মাধ্যমে মূলত জনগণের কাছেই জবাবদিহি নিশ্চিত হচ্ছে।
মাদক সিন্ডিকেট ধ্বংসের আহ্বান
রিজভী বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে, এমনটা তিনি বলছেন না। তবে পরিস্থিতির আরও উন্নতি প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের সব অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা জনগণের প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ মাদকের প্রভাবমুক্ত পরিবেশ চায়। মাদকসেবী ও মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত কেউ যত প্রভাবশালীই হোক, তারা যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে ছাড় না পায়—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
রংপুরে মাদকসেবীদের হাতে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনাকে বেদনাদায়ক উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ঘটনাটি গোটা দেশকে কাঁদিয়েছে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক সিন্ডিকেট কারা পরিচালনা করছে, কীভাবে এসব সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে এবং তাদের গোপন আস্তানা কোথায়—তা চিহ্নিত করতে হবে। এরপর এসব সিন্ডিকেট ধ্বংস করতে হবে।
রিজভী বলেন, দেশের মানুষ কোনো অশান্তি চায় না। তারা খেয়ে-পরে শান্তিতে বসবাস করতে চায়। এই দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে। তিনি তা যথাযথভাবে পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করেন।





















