০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

যানজট নিরসনে ঢাকার আরও ৫০ ট্রাফিক সিগনালে এআই ক্যামেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসানো হচ্ছে এআই ক্যামেরা।

এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৮টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২টি ইন্টারসেকশনে নতুন সিগনাল স্থাপন করা হবে।

এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার ১৩টি পয়েন্টে সেমি অটোমেটেড ট্রাফিক সিগনাল চালু করা হয়। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে তৈরি এসব সিগনালের কয়েকটিতে যুক্ত করা হয় এআই ক্যামেরা। এর ফলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করা এবং সিগনাল ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হচ্ছে।

চালকদের মতে, এআই ক্যামেরার কারণে নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে এক ধরনের সতর্কতা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিগনাল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। এটি যানবাহনের চাপ অনুযায়ী সিগনালের সময় পরিবর্তন করতে সক্ষম। তবে প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশ ট্যাবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণেও পরিবর্তন আনতে পারবেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, সড়কে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে মানুষকে নিয়মের মধ্যে আনতেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু এআই সিগনাল চালু করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বন্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্রাফিক কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু এলাকায় পথচারীদের অনিয়মিত পারাপার ও অবৈধ যান চলাচলের কারণে এআই সিগনালের কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

নতুন সিগনাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা বাড়বে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

যানজট নিরসনে ঢাকার আরও ৫০ ট্রাফিক সিগনালে এআই ক্যামেরা

আপডেট সময় : ১১:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসানো হচ্ছে এআই ক্যামেরা।

এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৮টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২টি ইন্টারসেকশনে নতুন সিগনাল স্থাপন করা হবে।

এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার ১৩টি পয়েন্টে সেমি অটোমেটেড ট্রাফিক সিগনাল চালু করা হয়। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে তৈরি এসব সিগনালের কয়েকটিতে যুক্ত করা হয় এআই ক্যামেরা। এর ফলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করা এবং সিগনাল ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হচ্ছে।

চালকদের মতে, এআই ক্যামেরার কারণে নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে এক ধরনের সতর্কতা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিগনাল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। এটি যানবাহনের চাপ অনুযায়ী সিগনালের সময় পরিবর্তন করতে সক্ষম। তবে প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশ ট্যাবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণেও পরিবর্তন আনতে পারবেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, সড়কে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে মানুষকে নিয়মের মধ্যে আনতেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু এআই সিগনাল চালু করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বন্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্রাফিক কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু এলাকায় পথচারীদের অনিয়মিত পারাপার ও অবৈধ যান চলাচলের কারণে এআই সিগনালের কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

নতুন সিগনাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা বাড়বে।