০৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ঝিনাইদহে বাড়ছে বজ্রপাতে প্রাণহানি

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহে বাড়ছে বজ্রপাতে প্রাণহানি। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কৃষকরা। ফসল রক্ষায় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও মাঠে থাকতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন তারা। অথচ মাঠে নেই বজ্র নিরোধক দণ্ড,নেই আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

কালো মেঘ আর দমকা হাওয়া উঠলেই এখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ঝিনাইদহের মাঠে-ঘাটে। তারপরও জীবন আর জীবিকার তাগিদে কৃষকদের থাকতে হয় খোলা আকাশের নিচেই। আর এতেই বজ্রপাত কেড়ে নিচ্ছে একের পর এক প্রাণ।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার খড়িবাড়িয়া গ্রামের এই বিস্তীর্ণ মাঠেই গত ২৮ মার্চ ঝড়ো বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে ক্ষেতের পেঁয়াজ গোছাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই কৃষক। আহত হন আরও চারজন। পরদিন একই উপজেলায় বজ্রপাতে আহত হন আরও তিনজন।
এরপর ১৬ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারান এক গৃহবধূ। সর্বশেষ ১৮ মে মহেশপুর মাঠে কাজ করার সময় এক কৃষক এবং ঝড়ের মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে শৈলকুপায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

প্রতি বছরই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ। অনেকেই আহত হচ্ছেন স্থায়ীভাবে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কৃষকদের জীবন রক্ষায় এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
২০২৫ ও ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে স্থাপন করা হয়নি কোনো বজ্র নিরোধক দণ্ড, নির্মাণ হয়নি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র।

কৃষকদের জীবন রক্ষায় এখনই মাঠ পর্যায়ে বজ্র নিরোধক শেল্টার ও দণ্ড স্থাপন জরুরি। পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোও প্রয়োজন।

এদিকে জেলা প্রশাসক বলছেন,বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় তালগাছ রোপণে গুরুত্ব দেয়া হবে।

চলতি বছর ঝিনাইদহে বজ্রপাতে মারা গেছেন অন্তত ৫ জন,আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন।এর আগে ২০২৫ সালে জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭ জন। নিহতদের বেশিরভাগই কৃষক কিংবা মাঠে কাজ করা

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঝিনাইদহে বাড়ছে বজ্রপাতে প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ঝিনাইদহে বাড়ছে বজ্রপাতে প্রাণহানি। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কৃষকরা। ফসল রক্ষায় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও মাঠে থাকতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন তারা। অথচ মাঠে নেই বজ্র নিরোধক দণ্ড,নেই আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

কালো মেঘ আর দমকা হাওয়া উঠলেই এখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ঝিনাইদহের মাঠে-ঘাটে। তারপরও জীবন আর জীবিকার তাগিদে কৃষকদের থাকতে হয় খোলা আকাশের নিচেই। আর এতেই বজ্রপাত কেড়ে নিচ্ছে একের পর এক প্রাণ।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার খড়িবাড়িয়া গ্রামের এই বিস্তীর্ণ মাঠেই গত ২৮ মার্চ ঝড়ো বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে ক্ষেতের পেঁয়াজ গোছাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই কৃষক। আহত হন আরও চারজন। পরদিন একই উপজেলায় বজ্রপাতে আহত হন আরও তিনজন।
এরপর ১৬ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারান এক গৃহবধূ। সর্বশেষ ১৮ মে মহেশপুর মাঠে কাজ করার সময় এক কৃষক এবং ঝড়ের মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে শৈলকুপায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

প্রতি বছরই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ। অনেকেই আহত হচ্ছেন স্থায়ীভাবে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কৃষকদের জীবন রক্ষায় এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
২০২৫ ও ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে স্থাপন করা হয়নি কোনো বজ্র নিরোধক দণ্ড, নির্মাণ হয়নি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র।

কৃষকদের জীবন রক্ষায় এখনই মাঠ পর্যায়ে বজ্র নিরোধক শেল্টার ও দণ্ড স্থাপন জরুরি। পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোও প্রয়োজন।

এদিকে জেলা প্রশাসক বলছেন,বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় তালগাছ রোপণে গুরুত্ব দেয়া হবে।

চলতি বছর ঝিনাইদহে বজ্রপাতে মারা গেছেন অন্তত ৫ জন,আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন।এর আগে ২০২৫ সালে জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭ জন। নিহতদের বেশিরভাগই কৃষক কিংবা মাঠে কাজ করা