আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল
- আপডেট সময় : ০৩:১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৬০ বার পড়া হয়েছে
ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজ। ১৯৯১ সালের এই দিনে আড়াইশো কিলোমিটার গতিবেগে ‘ম্যারিঅ্যান’ নামে স্মরণাতীতকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় কক্সবাজার-চট্টগ্রামসহ পুরো উপকূল। ওই রাতেই প্রাণ হারান দেড় লাখেরও বেশী মানুষ। ক্ষয়ক্ষতি হয় অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ। প্রলয়ংকরী সেই ঘুর্ণিঝড়ের দীর্ঘ ৩৫ বছর পরও মাথা উচুঁ করে দাঁড়াতে পারেননি স্বজনহারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই শুরু হয় প্রচন্ডবেগে ঝড়ো বাতাস। জোয়ারের সময় সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ফুঁসে ওঠে বঙ্গোপসাগর। এরপর তীব্র বাতাসে লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপকূল রক্ষার সব বাঁধ। আর সেই ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে জলোচ্ছ্বাসের পানি।
ভোরের আলোয় চোখের সামনে ভেসে উঠে ভয়ংকর এক মৃত্যুপুরী। স্বজন আর ভিটে-বাড়ি হারা মানুষগুলো সেই স্মৃতি মনে করতেই শিউরে উঠেন বারবার।
একানব্বই থেকে দু’হাজার ছাব্বিশ। কক্সবাজার উপকূলের সেই ৫৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখনো জরাজীর্ণ। অরক্ষিতই রয়ে গেছে পুরো সমুদ্র উপকূল।
দেশের ২৫ ভাগ মানুষের উপকূলীয় এলাকায় বসবাস জেনেও সংস্কার করা হয়নি বেড়িবাঁধ।
এদিকে দুর্যোগকালীন নিরাপদ আশ্রয়ের লক্ষ্যে সমুদ্র উপকূলের প্রায় ১ কোটি পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ জরুরী– বলছেন স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।
জলবায়ু উদ্বাস্তু প্রায় অর্ধলাখ মানুষের জন্য কক্সবাজার বিমানবন্দরের পশ্চিম পাশে গড়ে উঠছে বিশ্বের সবচে’ বড় আশ্রয়ন প্রকল্প। বরাদ্দের পর এই প্রকল্পে আশ্রয় মিলবে প্রায় ৫ হাজার উদ্বাস্তু পরিবারের।






















