কুষ্টিয়ায় দূর্ভোগের আরেক নাম ঘোড়াই ঘাটের খেয়া পারাপার
- আপডেট সময় : ০৬:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা গড়াই নদীর ঘোড়াই ঘাট এলাকায় দূর্ভোগের আরেক নাম খেয়া পারাপার। তিনটি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিক মানুষের শহরে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমও এই খেয়া ঘাট। বর্ষায় উত্তাল নদী আর শুকনো মৌসুমে ধু-ধু বালুচর, এই দুই ঋতুতেই ভোগান্তি পিছু ছাড়ে না স্থানীয়দের। বছরের পর বছর দাবি জানিয়েও মেলেনি একটি সেতু।
কুষ্টিয়া শহরের বড় বাজার সংলগ্ন এই ঘোড়াই ঘাট। ওপারে কুমারখালী উপজেলার কয়া, শিলাইদহ ও নন্দলালপুর ইউনিয়নের দুই লক্ষ মানুষের বসবাস। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে পারাপার হয় অন্তত বিশ হাজার মানুষ। একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ছিলো। কিন্তু, কেউ কথা রাখেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন দিন বাড়ছে খেয়া পারাপারের ভাড়া। বর্ষাকালে উত্তাল নদী পাড়ি দিতে নিতে হয় জীবনের ঝুঁকি। আর, শুকনো মৌসুমে নদী শুকিয়ে গেলে তপ্ত রোদে বিপাকে পড়ে বৃদ্ধ, শিশু, রোগী সহ স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।
কৃষিপণ্য শহরে আনতেও পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। তাই, কুষ্টিয়া বড় বাজার থেকে ঘোড়াই ঘাট এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন শহীদ আবরার ফাহাদের পিতা সহ জেলার সচেতন মহল।
ইতিমধ্যেই সেতুটি নির্মাণের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে এলজিইডি।
গড়াই নদীর ঘোড়াই ঘাট এলাকায় নির্মিত হবে প্রত্যাশিত সেতু। দূর হবে লাখো মানুষের ভোগান্তি। সবার আশা এমনটাই।


























