হানিফসহ ৪ জনের মামলার রায় যেকোনো দিন
- আপডেট সময় : ০৩:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
মামলায় আসামি চারজন
মাহবুবউল আলম হানিফ ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। মামলার চার আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
মামলায় জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার মামলার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।
হানিফের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ
যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাহবুবউল আলম হানিফ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন। পরে অধীনস্তদের মাধ্যমে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন তিনি।
প্রসিকিউশনের দাবি, হানিফ একজন বেসামরিক রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আন্দোলন দমনের কর্মকাণ্ডে নির্দেশনা দিয়েছেন। অধীনস্তদের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন তিনি।
এসব কর্মকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন।
রায়ের অপেক্ষায় মামলা
মামলায় কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনের সময় ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনাসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিচার হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে বুধবার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। এখন ট্রাইব্যুনাল সুবিধাজনক যেকোনো দিনে মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করতে পারবেন।
মামলার রায় ঘিরে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানানো হয়নি।

























