রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে অক্টোবরে শুরু ইউরেনিয়াম সরবরাহ
- আপডেট সময় : ১২:২৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম সরবরাহ শুরু করছে রাশিয়া। আগামী অক্টোবর থেকে এই সরবরাহ শুরু হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
রোসাটমের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ করা হবে। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ ইউরেনিয়ামের পুরো সরবরাহ প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কয়েকটি ফ্লাইটে আসবে পারমাণবিক জ্বালানি
চুক্তি ও প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, কয়েকটি ফ্লাইটের মাধ্যমে দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে পাঠানো হবে। রোসাটম জানিয়েছে, পরিবর্তিত ফ্লাইট সূচি অনুযায়ী অক্টোবর থেকেই জ্বালানি পরিবহন শুরু হবে।
এর আগে ইউরেনিয়াম পরিবহনের ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম আনার পথে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় এই পরিবর্তন করতে হয়।
বিভিন্ন দেশ হয়ে বাংলাদেশে আসে ইউরেনিয়াম
রাশিয়া থেকে পাঠানো ইউরেনিয়ামের চালান কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছায়। তবে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারে অনুমতি না পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি পরিবহনের ফ্লাইট শিডিউলে পরিবর্তন আনা হয়।
রোসাটম নতুন করে পরিবর্তিত তারিখ নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি বিষয়টি বাংলাদেশ পক্ষের সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে জানানো হয়েছে। ফলে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অক্টোবর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ শুরু হবে।
প্রথম ইউনিটের জ্বালানি এসেছিল ২০২৩ সালে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি ২০২৩ সালে বাংলাদেশে আসে। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়।
প্রথম ইউনিটের পর এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্যও রাশিয়া থেকে পারমাণবিক জ্বালানি আসছে। প্রকল্পের সময়সূচি অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটেই রাশিয়ার তৈরি ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তির পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় দুই ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।




















