১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

রায় জালিয়াতি: তদন্ত কমিটি গঠন করলেন আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৮টি মামলার রায়ও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৬ নভেম্বর।

আদালতে দুই পক্ষের শুনানি

এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক। অন্যদিকে অভিযুক্ত আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন ও গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট ১৮টি মামলার রায় তদন্তের নির্দেশ দেন। এসব মামলায় রায় জালিয়াতি ও আদালতের প্রক্রিয়া অনুসরণে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের একটি রিট মামলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল বাতিল করে নতুন মেধাতালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

তবে ওই মামলায় মূল আবেদনকারীদের বাদ দিয়ে নতুন করে সহ-আবেদনকারী যুক্ত করার ক্ষেত্রে নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া আবেদনকারীদের পক্ষে আদালতের আদেশ নেওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এমন অন্তত ৯টি মামলায় আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। এসব রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করে।

আগেও ঢাকা না ছাড়ার নির্দেশ

এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি অভিযুক্ত আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে এ ঘটনায় আপিল বিভাগের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমাও চান তিনি।

এবার পুরো ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের পাশাপাশি ১৮টি মামলার রায় পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২৩ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার পর ২৬ নভেম্বর পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রায় জালিয়াতি: তদন্ত কমিটি গঠন করলেন আপিল বিভাগ

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৮টি মামলার রায়ও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৬ নভেম্বর।

আদালতে দুই পক্ষের শুনানি

এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক। অন্যদিকে অভিযুক্ত আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন ও গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট ১৮টি মামলার রায় তদন্তের নির্দেশ দেন। এসব মামলায় রায় জালিয়াতি ও আদালতের প্রক্রিয়া অনুসরণে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের একটি রিট মামলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল বাতিল করে নতুন মেধাতালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

তবে ওই মামলায় মূল আবেদনকারীদের বাদ দিয়ে নতুন করে সহ-আবেদনকারী যুক্ত করার ক্ষেত্রে নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া আবেদনকারীদের পক্ষে আদালতের আদেশ নেওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এমন অন্তত ৯টি মামলায় আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। এসব রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করে।

আগেও ঢাকা না ছাড়ার নির্দেশ

এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি অভিযুক্ত আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে এ ঘটনায় আপিল বিভাগের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমাও চান তিনি।

এবার পুরো ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের পাশাপাশি ১৮টি মামলার রায় পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২৩ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার পর ২৬ নভেম্বর পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।