ফিলিপাইনে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষে নিহত ৪ পাইলট
- আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
ফিলিপাইনে সামরিক প্রশিক্ষণ চলাকালে আকাশে দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন পাইলট নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে দেশটির রাজধানী ম্যানিলার দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিমানঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফিলিপাইন বিমান বাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি বিমানই এসএফ-২৬০ মডেলের একক প্রপেলারযুক্ত প্রশিক্ষণ বিমান। সংঘর্ষের পর বিমান দুটি বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় চার পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। তবে অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
বিমানঘাঁটির ভেতরেই বিধ্বস্ত দুটি বিমান
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যানিলার দক্ষিণে অবস্থিত ফার্নান্দো বিমানঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ সময় দুটি এসএফ-২৬০ বিমান আকাশে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বিমান দুটি ঘাঁটির সীমানার মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়।
ফিলিপাইন বিমান বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল আলভিন ক্যাপিনগুইয়ান এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, উভয় বিমানই বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ছাড়া অন্য কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে কী কারণে বিমান দুটি পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইন বিমান বাহিনী। তদন্তের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ চলাকালে বিমানের অবস্থান, উড্ডয়ন কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য কারিগরি ত্রুটিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেশটির বিমান বাহিনীর সব এসএফ-২৬০ মডেলের বিমান সাময়িকভাবে উড্ডয়ন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব বিমানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হতে পারে।
আগেও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় পড়েছে সামরিক বিমান
ফিলিপাইনের সামরিক বিমানবাহিনীতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে দেশটির উত্তরাঞ্চলের বেঙ্গুয়েত প্রদেশে প্রশিক্ষণের সময় একটি এসএফ-২৬০ মডেলের বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ওই ঘটনায় দুই সামরিক পাইলট নিহত হন।
সর্বশেষ দুর্ঘটনায় একই মডেলের দুটি বিমানের সংঘর্ষ এবং চার পাইলটের প্রাণহানির ঘটনা দেশটির সামরিক বিমান পরিচালনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
তবে সর্বশেষ দুর্ঘটনার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।




















