১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

গোলকধাঁধায় সাফ আয়োজন, হচ্ছে না ট্রফি উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকায় আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম প্রতিযোগিতা সাফ টুর্নামেন্ট। তবে আসর শুরুর আগেই আয়োজন ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা অনিয়ম, সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনা। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ট্রফি উন্মোচন হচ্ছে না। এমনকি দলগুলোর আবাসন, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা।

সাধারণত সাফ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান না হলেও প্রতিযোগিতার আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অধিনায়ক ও কোচরা ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলেন। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক প্রচারণাও শুরু হয়। তবে এবার সেই প্রচলিত আয়োজনও থাকছে না।

সাফের স্বত্ব কেনা প্রতিষ্ঠান টিএসএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সজীব রশিদ জানিয়েছেন, আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ট্রফি উন্মোচন করা হবে না। এ বিষয়ে তাঁদের ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ট্রফি উন্মোচন হচ্ছে না। আমরা ভিন্ন পরিকল্পনা করছি। ভিন্নভাবে এটি উপস্থাপন হবে।’

মালদ্বীপের আগমন নিয়েও জটিলতা

আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, খেলা শুরুর অন্তত দুই দিন আগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর পৌঁছানোর কথা। সে হিসাবে মঙ্গলবারের মধ্যে সব দলের ঢাকায় আসার কথা ছিল। অন্য দলগুলো পৌঁছালেও মালদ্বীপ এখনো আসেনি।

এবারের প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক বাংলাদেশ হলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে ক্রীড়া ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান টিএসএ। সফরকারী দলগুলোর বিমান টিকিটের ব্যবস্থাও করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, মালদ্বীপকে মঙ্গলবারের টিকিট না দেওয়ায় তাদের আগমনে বিলম্ব হচ্ছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে টিএসএ।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী সজীব রশিদ জানান, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা নিজেদের উদ্যোগে টিকিট কেটে ঢাকায় এসেছে। পরে সেই খরচ পরিশোধ করেছে টিএসএ। মালদ্বীপও নিজেদের টিকিটে আসবে।

তিনি বলেন, ‘মালদ্বীপের খেলা ৮ তারিখ। সাফ কিছুটা শিথিলতা দেওয়ায় তারা ৫ তারিখ আসবে।’

ঢাকায় এসে ভোগান্তিতে সফরকারী দল

শুধু দলগুলোর আগমন নিয়েই নয়, ঢাকায় পৌঁছানোর পরও বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে সফরকারী দলগুলোকে।

সোমবার ভুটান দলকে বিমানবন্দরে প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। অন্যদিকে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কা দল হোটেলসংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে। টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব টিএসএর হাতে থাকলেও এসব ঘটনায় সাফ কর্তৃপক্ষের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সাফের বেতনভুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও সমস্যায় পড়ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অনেকের ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। সাফ সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

স্টেডিয়ামে নেই টুর্নামেন্টের আমেজ

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এবারের সাফ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র দুই দিন আগে স্টেডিয়াম কিংবা আশপাশে প্রতিযোগিতার কোনো দৃশ্যমান প্রচারণা চোখে পড়েনি।

নেই ব্যানার, ফেস্টুন কিংবা উল্লেখযোগ্য কোনো ব্র্যান্ডিং। টিএসএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে স্টেডিয়ামে ব্র্যান্ডিংয়ের কাজ শুরু হবে।

এ ছাড়া বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের তথ্যও সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে। আন্তর্জাতিক একটি প্রতিযোগিতার মতো আয়োজনে এমন বিলম্ব ও সমন্বয়হীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বাফুফে-সাফের সমন্বয়হীনতায় বাড়ছে প্রশ্ন

সব মিলিয়ে বাফুফে, সাফ ও টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা টিএসএর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কে কোন দায়িত্ব পালন করছে, কোথায় কী আয়োজন হচ্ছে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।

ফুটবলসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা শুরু করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ এবারের আয়োজনকে গত বছরের ‘ল্যাটিন বাংলার সিজন-২’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন।

গত বছর আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের নাম ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু চরম অব্যবস্থাপনার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিযোগিতা মাঠে গড়ায়নি। পরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে আসা খেলোয়াড়দের দেশে ফিরতেও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল।

এবার সাফের মতো আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগেও একই ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে টুর্নামেন্টটি সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পারে কি না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গোলকধাঁধায় সাফ আয়োজন, হচ্ছে না ট্রফি উন্মোচন

আপডেট সময় : ১২:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকায় আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম প্রতিযোগিতা সাফ টুর্নামেন্ট। তবে আসর শুরুর আগেই আয়োজন ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা অনিয়ম, সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনা। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ট্রফি উন্মোচন হচ্ছে না। এমনকি দলগুলোর আবাসন, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা।

সাধারণত সাফ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান না হলেও প্রতিযোগিতার আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অধিনায়ক ও কোচরা ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলেন। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক প্রচারণাও শুরু হয়। তবে এবার সেই প্রচলিত আয়োজনও থাকছে না।

সাফের স্বত্ব কেনা প্রতিষ্ঠান টিএসএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সজীব রশিদ জানিয়েছেন, আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ট্রফি উন্মোচন করা হবে না। এ বিষয়ে তাঁদের ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ট্রফি উন্মোচন হচ্ছে না। আমরা ভিন্ন পরিকল্পনা করছি। ভিন্নভাবে এটি উপস্থাপন হবে।’

মালদ্বীপের আগমন নিয়েও জটিলতা

আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, খেলা শুরুর অন্তত দুই দিন আগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর পৌঁছানোর কথা। সে হিসাবে মঙ্গলবারের মধ্যে সব দলের ঢাকায় আসার কথা ছিল। অন্য দলগুলো পৌঁছালেও মালদ্বীপ এখনো আসেনি।

এবারের প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক বাংলাদেশ হলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে ক্রীড়া ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান টিএসএ। সফরকারী দলগুলোর বিমান টিকিটের ব্যবস্থাও করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, মালদ্বীপকে মঙ্গলবারের টিকিট না দেওয়ায় তাদের আগমনে বিলম্ব হচ্ছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে টিএসএ।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী সজীব রশিদ জানান, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা নিজেদের উদ্যোগে টিকিট কেটে ঢাকায় এসেছে। পরে সেই খরচ পরিশোধ করেছে টিএসএ। মালদ্বীপও নিজেদের টিকিটে আসবে।

তিনি বলেন, ‘মালদ্বীপের খেলা ৮ তারিখ। সাফ কিছুটা শিথিলতা দেওয়ায় তারা ৫ তারিখ আসবে।’

ঢাকায় এসে ভোগান্তিতে সফরকারী দল

শুধু দলগুলোর আগমন নিয়েই নয়, ঢাকায় পৌঁছানোর পরও বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে সফরকারী দলগুলোকে।

সোমবার ভুটান দলকে বিমানবন্দরে প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। অন্যদিকে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কা দল হোটেলসংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে। টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব টিএসএর হাতে থাকলেও এসব ঘটনায় সাফ কর্তৃপক্ষের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সাফের বেতনভুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও সমস্যায় পড়ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অনেকের ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। সাফ সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

স্টেডিয়ামে নেই টুর্নামেন্টের আমেজ

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এবারের সাফ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র দুই দিন আগে স্টেডিয়াম কিংবা আশপাশে প্রতিযোগিতার কোনো দৃশ্যমান প্রচারণা চোখে পড়েনি।

নেই ব্যানার, ফেস্টুন কিংবা উল্লেখযোগ্য কোনো ব্র্যান্ডিং। টিএসএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে স্টেডিয়ামে ব্র্যান্ডিংয়ের কাজ শুরু হবে।

এ ছাড়া বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের তথ্যও সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে। আন্তর্জাতিক একটি প্রতিযোগিতার মতো আয়োজনে এমন বিলম্ব ও সমন্বয়হীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বাফুফে-সাফের সমন্বয়হীনতায় বাড়ছে প্রশ্ন

সব মিলিয়ে বাফুফে, সাফ ও টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা টিএসএর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কে কোন দায়িত্ব পালন করছে, কোথায় কী আয়োজন হচ্ছে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।

ফুটবলসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা শুরু করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ এবারের আয়োজনকে গত বছরের ‘ল্যাটিন বাংলার সিজন-২’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন।

গত বছর আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের নাম ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু চরম অব্যবস্থাপনার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিযোগিতা মাঠে গড়ায়নি। পরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে আসা খেলোয়াড়দের দেশে ফিরতেও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল।

এবার সাফের মতো আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগেও একই ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে টুর্নামেন্টটি সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পারে কি না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।