হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, হুমায়ুন কবিরের শপথ গ্রহণে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। সংবিধান মেনেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
নাগরিকত্ব নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী
হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। তাঁর শপথ গ্রহণে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। বাংলাদেশের সরকার যা করছে, সংবিধান মেনেই করছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করেই সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আইনগত ব্যত্যয় হয়নি।
মিথ্যা মামলা ও গুমের সংস্কৃতি বন্ধে উদ্যোগ
অনুষ্ঠানে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মিথ্যা মামলা, গুম ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি বন্ধে সরকার কাজ করছে।
একই সঙ্গে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আইনমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ বাদী হয়ে কোনো মিথ্যা মামলা করেনি।
অসহায় মানুষের পাশে থাকবে রাষ্ট্র
আইনি সহায়তা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কোনো ভুক্তভোগী নিজের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পারলে রাষ্ট্র তার পাশে থাকবে। অর্থের অভাবে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, সমাজের প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হচ্ছে।
আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে আইনি সহায়তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

























