০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনে আগাম নির্বাচন ২৯ নভেম্বর, সানচেজের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৭৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে স্পেনে আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। আগামী ২৯ নভেম্বর দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে ডানপন্থি পিপলস পার্টি (পিপি) ও ভক্সের সম্ভাব্য ভালো ফলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিছু জরিপে দুই দলের সম্মিলিত ভোট ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

আবাসন সংকটে রাজনৈতিক চাপ

সোমবার (৫ অক্টোবর) এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পেদ্রো সানচেজ বলেন, স্পেনকে আরও এগিয়ে নিতে তার নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল জোটের আরও শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক সংকট, রাজনৈতিক বিরোধ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সংসদে বিভিন্ন দলের মতবিরোধের কারণে গত কয়েক বছর সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আগাম নির্বাচনের তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে সামনে এসেছে দেশটির আবাসন সংকট। গত শুক্রবার সংসদে সরকারের আনা আবাসনসংক্রান্ত দুটি ডিক্রি অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হয়। ডানপন্থি দলগুলোর পাশাপাশি কাতালান স্বাধীনতাপন্থি দল জুনৎসও সরকারের প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোট দেয়।

এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা সানচেজ সরকারের নেই—বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্ছেদ ঠেকানোর বিষয়গুলো স্পেনের রাজনীতিতে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।

বাড়িভাড়া ও উচ্ছেদ নিয়ে ক্ষোভ

মাদ্রিদে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেন আবাসকালকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আবাসন অধিকার নিয়ে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ভাড়ার দাম নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্ছেদ ঠেকাতে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

কিন্তু সংসদে সরকারের প্রস্তাব আটকে যাওয়ায় রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়। এরপরই নির্বাচন ঘোষণার মাধ্যমে সানচেজ জানান, সামাজিক ও আবাসনসংক্রান্ত সংস্কার বাস্তবায়নে তার সরকারের আরও শক্তিশালী জনসমর্থন প্রয়োজন।

সানচেজের অর্থনৈতিক সাফল্যের দাবি

প্রধানমন্ত্রী সানচেজ দাবি করেছেন, তার সরকারের সময়ে স্পেনের অর্থনীতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তবে আসন্ন নির্বাচন তার দল পিএসওই এবং ব্যক্তিগতভাবে সানচেজের জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। জনমত জরিপে পিপি ও ভক্সের সম্ভাব্য ভালো ফলের আভাস মিলছে। কিছু জরিপে দুই দলের সম্মিলিত ভোট ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দুর্বল হয়ে পড়েছে সংসদীয় সমর্থন

সানচেজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো বামপন্থি ভোটারদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করা। অন্যদিকে আগাম নির্বাচন ঘোষণায় পিপি ও ভক্সের মতো বিরোধী দলগুলোর মধ্যে জয়ের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।

গত কয়েক মাসে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অভিবাসন এবং বিশেষ করে সেউটা সংকট নিয়ে সমালোচনা জোরালো হয়েছে। এসব বিষয় ডানপন্থি দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া গত তিন বছরে সানচেজ সরকার কোনো পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট সংসদে পাস করাতে পারেনি। কাতালান স্বাধীনতাপন্থি দল জুনৎসের ওপর সরকারের সংসদীয় নির্ভরতাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভোটে জুনৎস পরে পিপি ও ভক্সের সঙ্গে একই অবস্থান নিয়েছে। ফলে সংসদে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা কার্যত ভেঙে পড়ে।

দুর্নীতি ও বিচারিক তদন্তও বড় ইস্যু

সানচেজ সরকারের ওপর গত কয়েক বছরে বিভিন্ন দুর্নীতি ও বিচারিক তদন্তের চাপ তৈরি হয়েছে। তার সাবেক ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী হোসে লুইস আবালোস ও সান্তোস সেরদানের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিরোধীরা দাবি করছে।

এ ছাড়া সানচেজের স্ত্রী ও ভাইকে ঘিরে তদন্ত এবং সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আলভারো গার্সিয়া অর্তিসকে ঘিরে বিচারিক ঘটনাও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

২৯ নভেম্বরের নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

২৯ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে স্পেন ইতোমধ্যে কার্যত নির্বাচনী আবহে প্রবেশ করেছে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা ভোটের ১৫ দিন আগে শুরু হলেও রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

সানচেজ আবাসন, অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক নীতিকে সামনে রেখে প্রগতিশীল ভোটারদের সমর্থন ফেরানোর চেষ্টা করবেন। অন্যদিকে পিপি ও ভক্স সরকার পরিবর্তনের দাবিতে অভিবাসন, নিরাপত্তা, দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান ইস্যু করতে পারে।

ফলে ২৯ নভেম্বরের নির্বাচন শুধু স্পেনের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে না। একই সঙ্গে আগামী কয়েক বছরে দেশটির রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাও এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্পেনে আগাম নির্বাচন ২৯ নভেম্বর, সানচেজের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:২৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে স্পেনে আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। আগামী ২৯ নভেম্বর দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে ডানপন্থি পিপলস পার্টি (পিপি) ও ভক্সের সম্ভাব্য ভালো ফলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিছু জরিপে দুই দলের সম্মিলিত ভোট ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

আবাসন সংকটে রাজনৈতিক চাপ

সোমবার (৫ অক্টোবর) এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পেদ্রো সানচেজ বলেন, স্পেনকে আরও এগিয়ে নিতে তার নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল জোটের আরও শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক সংকট, রাজনৈতিক বিরোধ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সংসদে বিভিন্ন দলের মতবিরোধের কারণে গত কয়েক বছর সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আগাম নির্বাচনের তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে সামনে এসেছে দেশটির আবাসন সংকট। গত শুক্রবার সংসদে সরকারের আনা আবাসনসংক্রান্ত দুটি ডিক্রি অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হয়। ডানপন্থি দলগুলোর পাশাপাশি কাতালান স্বাধীনতাপন্থি দল জুনৎসও সরকারের প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোট দেয়।

এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা সানচেজ সরকারের নেই—বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্ছেদ ঠেকানোর বিষয়গুলো স্পেনের রাজনীতিতে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।

বাড়িভাড়া ও উচ্ছেদ নিয়ে ক্ষোভ

মাদ্রিদে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেন আবাসকালকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আবাসন অধিকার নিয়ে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ভাড়ার দাম নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্ছেদ ঠেকাতে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

কিন্তু সংসদে সরকারের প্রস্তাব আটকে যাওয়ায় রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়। এরপরই নির্বাচন ঘোষণার মাধ্যমে সানচেজ জানান, সামাজিক ও আবাসনসংক্রান্ত সংস্কার বাস্তবায়নে তার সরকারের আরও শক্তিশালী জনসমর্থন প্রয়োজন।

সানচেজের অর্থনৈতিক সাফল্যের দাবি

প্রধানমন্ত্রী সানচেজ দাবি করেছেন, তার সরকারের সময়ে স্পেনের অর্থনীতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তবে আসন্ন নির্বাচন তার দল পিএসওই এবং ব্যক্তিগতভাবে সানচেজের জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। জনমত জরিপে পিপি ও ভক্সের সম্ভাব্য ভালো ফলের আভাস মিলছে। কিছু জরিপে দুই দলের সম্মিলিত ভোট ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দুর্বল হয়ে পড়েছে সংসদীয় সমর্থন

সানচেজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো বামপন্থি ভোটারদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করা। অন্যদিকে আগাম নির্বাচন ঘোষণায় পিপি ও ভক্সের মতো বিরোধী দলগুলোর মধ্যে জয়ের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।

গত কয়েক মাসে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অভিবাসন এবং বিশেষ করে সেউটা সংকট নিয়ে সমালোচনা জোরালো হয়েছে। এসব বিষয় ডানপন্থি দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া গত তিন বছরে সানচেজ সরকার কোনো পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট সংসদে পাস করাতে পারেনি। কাতালান স্বাধীনতাপন্থি দল জুনৎসের ওপর সরকারের সংসদীয় নির্ভরতাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভোটে জুনৎস পরে পিপি ও ভক্সের সঙ্গে একই অবস্থান নিয়েছে। ফলে সংসদে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা কার্যত ভেঙে পড়ে।

দুর্নীতি ও বিচারিক তদন্তও বড় ইস্যু

সানচেজ সরকারের ওপর গত কয়েক বছরে বিভিন্ন দুর্নীতি ও বিচারিক তদন্তের চাপ তৈরি হয়েছে। তার সাবেক ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী হোসে লুইস আবালোস ও সান্তোস সেরদানের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিরোধীরা দাবি করছে।

এ ছাড়া সানচেজের স্ত্রী ও ভাইকে ঘিরে তদন্ত এবং সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আলভারো গার্সিয়া অর্তিসকে ঘিরে বিচারিক ঘটনাও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

২৯ নভেম্বরের নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

২৯ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে স্পেন ইতোমধ্যে কার্যত নির্বাচনী আবহে প্রবেশ করেছে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা ভোটের ১৫ দিন আগে শুরু হলেও রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

সানচেজ আবাসন, অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক নীতিকে সামনে রেখে প্রগতিশীল ভোটারদের সমর্থন ফেরানোর চেষ্টা করবেন। অন্যদিকে পিপি ও ভক্স সরকার পরিবর্তনের দাবিতে অভিবাসন, নিরাপত্তা, দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান ইস্যু করতে পারে।

ফলে ২৯ নভেম্বরের নির্বাচন শুধু স্পেনের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে না। একই সঙ্গে আগামী কয়েক বছরে দেশটির রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাও এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করবে।