মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, ক্ষমা চাইলেন এমবাপ্পে
- আপডেট সময় : ০১:৩১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
একটি রসিকতাকে কেন্দ্র করে চীনে বিতর্কের মুখে পড়েছেন ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। চীনের সাবেক নেতা মাও সে তুংকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে ক্ষমা চেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরও বিতর্ক থামেনি। বরং এর প্রভাব পড়েছে দেশটিতে তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে।
মাও সে তুংকে নিয়ে মন্তব্যে বিতর্ক
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি মিম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাও সে তুংকে ইঙ্গিত করে রসিকতা করেন এমবাপ্পে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ফরাসি, চীনা ও ইংরেজি—তিন ভাষায় ক্ষমা চান এমবাপ্পে। তাঁর এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল মন্তব্যটি ঘিরে তৈরি হওয়া ক্ষোভ প্রশমিত করা। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরও সমালোচকদের অনেকেই সন্তুষ্ট হননি।
ক্ষমা চাইলেও কমেনি সমালোচনা
এ ঘটনায় এমবাপ্পের পাশাপাশি তাঁর ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এমবাপ্পের বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। তবে তাতেও বিতর্কের অবসান হয়নি।
চীনে মাও সে তুং দেশটির আধুনিক ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ফলে তাঁকে নিয়ে কোনো মন্তব্য বা রসিকতা সহজেই সংবেদনশীল বিষয়ে পরিণত হতে পারে। এমবাপ্পের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া প্রতিক্রিয়ার পেছনেও এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাণিজ্যিক চুক্তিতে প্রভাব
বিতর্কের জেরে চীনে স্থগিত করা হয়েছে এমবাপ্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট। পাশাপাশি একাধিক প্রতিষ্ঠান তাঁর সঙ্গে থাকা বাণিজ্যিক চুক্তি বাতিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দেশটিতে স্প্যানিশ ফুটবল লিগ লা লিগার সম্প্রচারও স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সম্প্রচার স্থগিতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এমবাপ্পের মন্তব্যের সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা এমবাপ্পের মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ডও যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিতে পারে, এই ঘটনা তারই উদাহরণ। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক তারকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য ও প্রকাশ্য মন্তব্য বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার সঙ্গে যুক্ত হলে তার প্রভাব বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও পড়তে পারে।




















