ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বাজানো নিয়ে উত্তেজনায় আহত ৩০
- আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের আয়োজনে চলমান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিআইজি অনুষ্ঠান শেষে চলে যাওয়ার পরও সেখানে গানবাজনা চলছিল।
এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। এ নিয়ে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে শতাধিক মাদ্রাসাছাত্র পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় মাদ্রাসাছাত্রদের পক্ষ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
মাদ্রাসাছাত্রদের দাবি, বুধবার তাঁদের পরীক্ষা থাকায় উচ্চস্বরে গানবাজনার কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। কিছুক্ষণ শব্দ কম থাকলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করা হয় বলে তাঁদের অভিযোগ।
শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।























