বিশ্বকাপ ফাইনালের একটি টিকিটের দাম ২৮ কোটি টাকা
- আপডেট সময় : ০২:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৭৮ বার পড়া হয়েছে
একটি ম্যাচের টিকিটের দাম যদি কোটি কোটি টাকা হয়—তাহলে তা নিঃসন্দেহে বিস্ময়ের জন্ম দেয়। ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে ঠিক এমনই এক চিত্র সামনে এসেছে। একটি টিকিটের মূল্য পৌঁছে গেছে প্রায় ২৩ লাখ মার্কিন ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ২১ লাখ টাকা।
তবে এই টিকিট কিনতে গেলেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন, এবং প্রতিটির দামই কয়েক কোটি টাকার ঘরে।
আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে লোয়ার ডেকের গোলবারের পেছনে ১২৪ নম্বর ব্লকের ৪৫ নম্বর সারির ৩৩ থেকে ৩৬ নম্বর আসনগুলো পুনঃবিক্রয় সাইটে অবিশ্বাস্য দামে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যা দেখে বিস্মিত ফুটবল অনুরাগীরা।
টিকিটের এই উচ্চমূল্যের পেছনে রয়েছে পুনঃবিক্রয় বাজারের চাহিদা-নির্ভর মূল্য নির্ধারণ। আয়োজক সংস্থা সরাসরি দাম নির্ধারণ না করলেও প্রতিটি লেনদেন থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই ২৫ শতাংশ করে অর্থ নেয়। বিশেষ করে গোলপোস্টের পেছনের আসন হওয়ায় এসব টিকিটের চাহিদা বেশি, ফলে দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
স্টেডিয়ামের অন্যান্য অংশের টিকিটও বেশ ব্যয়বহুল। নিচের ডেকের ১৪৬ নম্বর ব্লকের ৩২ নম্বর সারির একটি আসনের দাম উঠেছে ২ লাখ ৭ হাজার ডলার। আবার তৃতীয় ডেকের ৩১০ নম্বর ব্লকের ২৬ নম্বর সারির ক্যাটাগরি-২ আসনের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ডলার।
সবশেষ পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, পুনঃবিক্রয় সাইটে ফাইনালের সর্বনিম্ন মূল্যের টিকিটের দাম ছিল ১০,৯২৩.৮৫ ডলার। একই সময়ে ফাইনালের ‘ক্যাটাগরি ১’ টিকিটের মূল্যও প্রায় ১০,৯৯০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা অধিকাংশ দেশের সাধারণ দর্শকের নাগালের বাইরে।
ফিফার ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতির কারণে চাহিদা অনুযায়ী টিকিটের দাম ওঠানামা করে। তবে পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে এই মূল্য সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে, যা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।























