০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

একসাথে দুই চাকরি সরকারি কর্মকর্তা মোতালিবের!

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬২০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই চুক্তিপত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শেখ মোতালিব এবং অপর পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে থাকা কবির হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর একই থাকার বিষয়টিও দেখা গেছে। যেটি রীতিমতো জাতীয়পত্র জালিয়াতি।

যে জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে জনবল সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত বলে সংশ্লিষ্ট নথি ও তথ্য থেকে জানা গেছে। এই প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও শেখ মোতালিব দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সরকারি চাকরিতে থাকা একজন কর্মকর্তার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হয়ে ওই জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, একই প্রতিষ্ঠানের সরকারি প্রকল্পে জনবল সরবরাহ এবং চুক্তিপত্রে দুই প্রতিনিধির একই এনআইডি নাম্বার ব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে তীব্র অভিযোগ উঠেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওএসডি হবার আগে শেখ মোহাম্মদ মোতালিব জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক- প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিট পদে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন; পরবর্তীতে ওই অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে তাকে গুরুতর নানা অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

নথিতে তাকে অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল এন্ড ইকোনমিক্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউটিলাইজিং দি কমিউনিটি রিসোর্স (ওসেক) নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় তিনি ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি নিয়েছিলেন কি না এবং সরকারি চাকরির দায়িত্বের পাশাপাশি এ ধরনের বেসরকারি ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন ছিল কি না।

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১৬ নম্বর বিধিতে সরকারি কর্মচারীর কোনো ব্যাংক বা কোম্পানির promotion, registration বা management-এ অংশগ্রহণের বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। একই বিধিমালার ১৭ নম্বর বিধিতে সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি দায়িত্বের বাইরে কোনো trade, employment বা work-এ যুক্ত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ফলে শেখ মোতালিব ওসেক এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকলে, এ বিষয়ে সরকারি অনুমোদন ছিল কি না—তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাপ্ত চুক্তিপত্রে দেখা যায়, ওসেক-এর পক্ষে শেখ মোহাম্মদ মোতালিব এবং অপর পক্ষ হিসেবে বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড-এর প্রতিনিধি কবির হোসেনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

চুক্তিপত্রের প্রথম ও শেষের দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধির নাম, পদবি ও এনআইডি সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওসেক-এর পক্ষে থাকা শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের এনআইডি নম্বর এবং অপর পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখিত কবির হোসেনের এনআইডি নম্বর একই বলে নথির কপিতে প্রতীয়মান হয়েছে।

একই ব্যক্তির এনআইডি নম্বর অন্য একজনের নামে একই চুক্তিপত্রে কীভাবে ব্যবহৃত হলো—এটি একটা বড় প্রশ্ন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের সরকারি ডাটাবেসে উভয় ব্যক্তির পরিচয় যাচাই এবং মূল চুক্তিপত্র দেখে বিষয়টি গভীর তদন্তের দাবি উঠেছে।

এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো—বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড শুধু ওসেক-এর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠান নয়; প্রতিষ্ঠানটি অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পেও জনবল সরবরাহ করে বলে জানা গেছে।

শেখ মোহাম্মদ মোতালিব যখন একই প্রকল্পে উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন, তখন ওই প্রকল্পে জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক চুক্তির বিষয়টি ঢের সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

তাছাড়াও, বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড কী প্রক্রিয়ায় অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে জনবল সরবরাহের কাজ পেয়েছে সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে দাবি অভিযোগকারীদের এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রকল্পের চুক্তি/কার্যাদেশ/বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল কি না সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্ট, স্থানীয় সরকার/সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ অনুসন্ধান হওয়া দরকার।

উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে নারী সহকর্মী হেনস্তা, প্রকল্পের টাকা লুটপাট ও নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যপক অভিযোগে তদন্ত চলছে সরকারি ভাবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলোর ওপর শুনানি চলছে, অপরাধ প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে, এসব বিষয়ে কথা বলতে পাওয়া যায়নি গা ঢাকা দেয়া অভিযুক্ত কর্মকর্তা শেখ মোতালিবকে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

একসাথে দুই চাকরি সরকারি কর্মকর্তা মোতালিবের!

আপডেট সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই চুক্তিপত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শেখ মোতালিব এবং অপর পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে থাকা কবির হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর একই থাকার বিষয়টিও দেখা গেছে। যেটি রীতিমতো জাতীয়পত্র জালিয়াতি।

যে জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে জনবল সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত বলে সংশ্লিষ্ট নথি ও তথ্য থেকে জানা গেছে। এই প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও শেখ মোতালিব দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সরকারি চাকরিতে থাকা একজন কর্মকর্তার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হয়ে ওই জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, একই প্রতিষ্ঠানের সরকারি প্রকল্পে জনবল সরবরাহ এবং চুক্তিপত্রে দুই প্রতিনিধির একই এনআইডি নাম্বার ব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে তীব্র অভিযোগ উঠেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওএসডি হবার আগে শেখ মোহাম্মদ মোতালিব জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক- প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিট পদে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন; পরবর্তীতে ওই অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে তাকে গুরুতর নানা অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

নথিতে তাকে অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল এন্ড ইকোনমিক্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউটিলাইজিং দি কমিউনিটি রিসোর্স (ওসেক) নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় তিনি ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি নিয়েছিলেন কি না এবং সরকারি চাকরির দায়িত্বের পাশাপাশি এ ধরনের বেসরকারি ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন ছিল কি না।

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১৬ নম্বর বিধিতে সরকারি কর্মচারীর কোনো ব্যাংক বা কোম্পানির promotion, registration বা management-এ অংশগ্রহণের বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। একই বিধিমালার ১৭ নম্বর বিধিতে সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি দায়িত্বের বাইরে কোনো trade, employment বা work-এ যুক্ত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ফলে শেখ মোতালিব ওসেক এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকলে, এ বিষয়ে সরকারি অনুমোদন ছিল কি না—তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাপ্ত চুক্তিপত্রে দেখা যায়, ওসেক-এর পক্ষে শেখ মোহাম্মদ মোতালিব এবং অপর পক্ষ হিসেবে বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড-এর প্রতিনিধি কবির হোসেনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

চুক্তিপত্রের প্রথম ও শেষের দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধির নাম, পদবি ও এনআইডি সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওসেক-এর পক্ষে থাকা শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের এনআইডি নম্বর এবং অপর পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখিত কবির হোসেনের এনআইডি নম্বর একই বলে নথির কপিতে প্রতীয়মান হয়েছে।

একই ব্যক্তির এনআইডি নম্বর অন্য একজনের নামে একই চুক্তিপত্রে কীভাবে ব্যবহৃত হলো—এটি একটা বড় প্রশ্ন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের সরকারি ডাটাবেসে উভয় ব্যক্তির পরিচয় যাচাই এবং মূল চুক্তিপত্র দেখে বিষয়টি গভীর তদন্তের দাবি উঠেছে।

এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো—বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড শুধু ওসেক-এর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠান নয়; প্রতিষ্ঠানটি অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পেও জনবল সরবরাহ করে বলে জানা গেছে।

শেখ মোহাম্মদ মোতালিব যখন একই প্রকল্পে উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন, তখন ওই প্রকল্পে জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক চুক্তির বিষয়টি ঢের সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

তাছাড়াও, বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড কী প্রক্রিয়ায় অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পে জনবল সরবরাহের কাজ পেয়েছে সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে দাবি অভিযোগকারীদের এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রকল্পের চুক্তি/কার্যাদেশ/বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল কি না সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্ট, স্থানীয় সরকার/সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ অনুসন্ধান হওয়া দরকার।

উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে নারী সহকর্মী হেনস্তা, প্রকল্পের টাকা লুটপাট ও নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যপক অভিযোগে তদন্ত চলছে সরকারি ভাবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, শেখ মোহাম্মদ মোতালিবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলোর ওপর শুনানি চলছে, অপরাধ প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে, এসব বিষয়ে কথা বলতে পাওয়া যায়নি গা ঢাকা দেয়া অভিযুক্ত কর্মকর্তা শেখ মোতালিবকে।