০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

বস্ত্র অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের তলবে ১০ ধরনের নথি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বস্ত্র অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) দিলীপ কুমার সাহার দায়িত্বকালে নিয়োগ, পদোন্নতি, পেনশন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সরকারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তলব করেছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্য, ঘুষ লেনদেন, বিভাগীয় মামলা চলাকালে পদোন্নতি, অনিয়মের মাধ্যমে পেনশন মঞ্জুর, ভুয়া ভ্রমণ বিল এবং বিভিন্ন প্রকল্পে শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, কমিশনের সিদ্ধান্তে অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে নথি চাওয়া হয়েছে। নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক কর্মকর্তার দায়িত্ব

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২১ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন দিলীপ কুমার সাহা। এ সময়ে শাহাদাত হোসেন নামে এক কর্মকর্তাকে একসঙ্গে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই পদগুলো হলো—পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (পোষক ও শিল্প), পরিচালক (শিক্ষা), পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ‘আমেনা মনসুর’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক।

অভিযোগ রয়েছে, ওই কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন করা হতো। উপপরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার বিনিময়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বিভাগীয় মামলা চললেও পদোন্নতির অভিযোগ

সহকারী পরিচালক আইয়ুব রানা ওসমানির বিরুদ্ধে এক নারী কর্মচারীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়।

তবে মামলা নিষ্পত্তির আগেই তাকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় মামলা নেই বলে প্রত্যয়ন দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ঘটনায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করেছে অনুসন্ধান-সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ডিজি দিলীপ কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তায় তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই বলে জানান।

পেনশন মঞ্জুরেও অনিয়মের অভিযোগ

লায়লা ইয়াফির নামে এক কর্মচারীর চাকরি ও পদমর্যাদা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উন্নয়ন প্রকল্পে তৃতীয় শ্রেণির সমন্বয়কারী পদে যোগ দেওয়ার পর প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সময় তার পদকে প্রথম শ্রেণির পদ হিসেবে দেখানো হয়।

বস্ত্র অধিদপ্তরের তদন্তে এ বিষয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। পরে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ও বিষয়টি পরীক্ষা করে সরকারের ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪১ টাকা ক্ষতির কথা জানায়।

অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় মামলা ও সরকারি পাওনা পরিশোধের বিষয় নিষ্পত্তি না হলেও ঘুষের বিনিময়ে ওই কর্মচারীর পেনশন মঞ্জুর করা হয়।

প্রকল্প ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

দুদকের অনুসন্ধানে ‘গফরগাঁও টিভিআই’ প্রকল্পের নামে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ, নারায়ণগঞ্জের মিজমিজিতে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের ভবন মেরামত ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটা এবং তিনটি পৃথক প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটার বিষয়ও এসেছে।

এ ছাড়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ না করেও বিল পরিশোধ, ভবন নির্মাণের পর নতুন করে ফার্নিচার ও পাঠ্যবই কেনার আদেশ এবং বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগের কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে গার্মেন্টস ও বায়িং হাউজের লাইসেন্স-রেজিস্ট্রেশন, যন্ত্রপাতি আমদানি, ভুয়া ভ্রমণ বিল এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম।

যেসব নথি চেয়েছে দুদক

দুদক বস্ত্র অধিদপ্তরের কাছে সাবেক ডিজির দায়িত্বকালের নিয়োগ, পদোন্নতি, রেজিস্ট্রেশন, যন্ত্রপাতি আমদানি, ভ্রমণ বিল, প্রশিক্ষণ ও বিভাগীয় তদন্তের নথি চেয়েছে।

এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকার গফরগাঁও টিভিআই প্রকল্প, মিজমিজি টিভিআইয়ের ভবন মেরামত ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, ‘সোহেল এন্টারপ্রাইজ’-কে আউটসোর্সিং কার্যাদেশ, তিন প্রকল্পের ১০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং সরবরাহ না করেও বিল পরিশোধের নথি তলব করা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন লঙ্ঘন করে সরাসরি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি, শিক্ষককে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পদোন্নতি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক-অবকাঠামো ছাড়াই দ্বিতীয় শিফট চালুর তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চলমান ও শেষ হওয়া সব প্রকল্পের অনুমোদিত বরাদ্দ, ব্যয়, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং প্রকল্প পরিচালকদের বিস্তারিত তথ্য ছক আকারে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব নথি যাচাইয়ের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে দুদক।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বস্ত্র অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের তলবে ১০ ধরনের নথি

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

বস্ত্র অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) দিলীপ কুমার সাহার দায়িত্বকালে নিয়োগ, পদোন্নতি, পেনশন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সরকারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তলব করেছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্য, ঘুষ লেনদেন, বিভাগীয় মামলা চলাকালে পদোন্নতি, অনিয়মের মাধ্যমে পেনশন মঞ্জুর, ভুয়া ভ্রমণ বিল এবং বিভিন্ন প্রকল্পে শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, কমিশনের সিদ্ধান্তে অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে নথি চাওয়া হয়েছে। নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক কর্মকর্তার দায়িত্ব

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২১ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন দিলীপ কুমার সাহা। এ সময়ে শাহাদাত হোসেন নামে এক কর্মকর্তাকে একসঙ্গে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই পদগুলো হলো—পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (পোষক ও শিল্প), পরিচালক (শিক্ষা), পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ‘আমেনা মনসুর’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক।

অভিযোগ রয়েছে, ওই কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন করা হতো। উপপরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার বিনিময়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বিভাগীয় মামলা চললেও পদোন্নতির অভিযোগ

সহকারী পরিচালক আইয়ুব রানা ওসমানির বিরুদ্ধে এক নারী কর্মচারীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়।

তবে মামলা নিষ্পত্তির আগেই তাকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় মামলা নেই বলে প্রত্যয়ন দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ঘটনায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করেছে অনুসন্ধান-সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ডিজি দিলীপ কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তায় তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই বলে জানান।

পেনশন মঞ্জুরেও অনিয়মের অভিযোগ

লায়লা ইয়াফির নামে এক কর্মচারীর চাকরি ও পদমর্যাদা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উন্নয়ন প্রকল্পে তৃতীয় শ্রেণির সমন্বয়কারী পদে যোগ দেওয়ার পর প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সময় তার পদকে প্রথম শ্রেণির পদ হিসেবে দেখানো হয়।

বস্ত্র অধিদপ্তরের তদন্তে এ বিষয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। পরে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ও বিষয়টি পরীক্ষা করে সরকারের ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪১ টাকা ক্ষতির কথা জানায়।

অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় মামলা ও সরকারি পাওনা পরিশোধের বিষয় নিষ্পত্তি না হলেও ঘুষের বিনিময়ে ওই কর্মচারীর পেনশন মঞ্জুর করা হয়।

প্রকল্প ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

দুদকের অনুসন্ধানে ‘গফরগাঁও টিভিআই’ প্রকল্পের নামে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ, নারায়ণগঞ্জের মিজমিজিতে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের ভবন মেরামত ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটা এবং তিনটি পৃথক প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটার বিষয়ও এসেছে।

এ ছাড়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ না করেও বিল পরিশোধ, ভবন নির্মাণের পর নতুন করে ফার্নিচার ও পাঠ্যবই কেনার আদেশ এবং বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগের কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে গার্মেন্টস ও বায়িং হাউজের লাইসেন্স-রেজিস্ট্রেশন, যন্ত্রপাতি আমদানি, ভুয়া ভ্রমণ বিল এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম।

যেসব নথি চেয়েছে দুদক

দুদক বস্ত্র অধিদপ্তরের কাছে সাবেক ডিজির দায়িত্বকালের নিয়োগ, পদোন্নতি, রেজিস্ট্রেশন, যন্ত্রপাতি আমদানি, ভ্রমণ বিল, প্রশিক্ষণ ও বিভাগীয় তদন্তের নথি চেয়েছে।

এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকার গফরগাঁও টিভিআই প্রকল্প, মিজমিজি টিভিআইয়ের ভবন মেরামত ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, ‘সোহেল এন্টারপ্রাইজ’-কে আউটসোর্সিং কার্যাদেশ, তিন প্রকল্পের ১০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং সরবরাহ না করেও বিল পরিশোধের নথি তলব করা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন লঙ্ঘন করে সরাসরি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি, শিক্ষককে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পদোন্নতি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক-অবকাঠামো ছাড়াই দ্বিতীয় শিফট চালুর তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চলমান ও শেষ হওয়া সব প্রকল্পের অনুমোদিত বরাদ্দ, ব্যয়, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং প্রকল্প পরিচালকদের বিস্তারিত তথ্য ছক আকারে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব নথি যাচাইয়ের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে দুদক।