প্যারিসে দাঙ্গার মধ্যে চুরি মেসির স্বাক্ষর করা বার্সেলোনার জার্সি ও আর্মব্যান্ড
- আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে দাঙ্গা ও ভাঙচুরের মধ্যে চুরি হয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির স্বাক্ষর করা বার্সেলোনার একটি জার্সি ও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড। মূল্যবান এই ফুটবল স্মারক চুরির ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্লাস দে লা রিপাবলিক এলাকার কাছে একটি দোকানে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে স্মারক দুটি চুরি হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মুখ ঢাকা দুই ব্যক্তিকে মেসির স্বাক্ষর করা জার্সি ও আর্মব্যান্ড ক্যামেরার সামনে তুলে ধরতে দেখা যায়।
মেসির স্বাক্ষর থাকায় স্মারকের মূল্য বেশি
লিওনেল মেসির স্বাক্ষর করা জার্সি ও অধিনায়কের আর্মব্যান্ডের আর্থিক মূল্যের পাশাপাশি রয়েছে ঐতিহাসিক ও আবেগীয় গুরুত্ব। ফুটবল স্মারক সংগ্রাহকদের কাছে মেসির স্বাক্ষরসংবলিত জার্সির চাহিদা দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে বার্সেলোনার হয়ে তাঁর খেলার সময়কার স্মারক সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।
এসব স্মারকের দাম নির্ভর করে জার্সিটি কোন ম্যাচে ব্যবহৃত হয়েছে, ম্যাচে মেসির পারফরম্যান্স, স্মারকের অবস্থা এবং স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের ওপর। ফলে চুরি হওয়া জার্সি ও আর্মব্যান্ডের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করা কঠিন।
বিশ্বকাপের জার্সি বিক্রি হয়েছে লাখো ডলারে
মেসির স্মারকের বিপুল বাজারমূল্যের নজির রয়েছে নিলামেও। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে মেসির পরা ছয়টি জার্সি নিলামে বিক্রি হয়েছিল সাত অঙ্কের ডলারের মোট মূল্যে। প্রতিটি জার্সির দাম এক মিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়কের এসব জার্সি আন্তর্জাতিক সংগ্রহবাজারে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল। সেই তুলনায় প্যারিস থেকে চুরি হওয়া স্মারক দুটির মূল্য নির্ভর করবে এগুলোর সত্যতা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও সংগ্রাহকদের চাহিদার ওপর।
প্যারিসের সহিংসতার মধ্যে চুরির ঘটনা
প্যারিসের বিভিন্ন স্থানে চলমান বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও সহিংসতার মধ্যেই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে। এএসের প্রতিবেদনে বিক্ষোভ-সংক্রান্ত গ্রেপ্তারের সংখ্যা দুই হাজারে পৌঁছানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার দাবিও তুলে ধরা হয়েছে।
তবে চুরি হওয়া স্মারক দুটি উদ্ধার হয়েছে কি না, কিংবা এ ঘটনায় কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
মেসির স্বাক্ষর থাকায় স্মারক দুটি কালোবাজারে বিক্রির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সেগুলোর প্রকৃত মূল্য ও বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
























