০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

দাউদকান্দিতে অ্যাম্বুলেন্সে মাদক পাচার, আটক ২

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৯৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে রোগী পরিবহনের আড়ালে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারের ঘটনা ধরা পড়েছে। এ সময় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৬৭২ বোতল স্কাফ সিরাপসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সটিও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের একটি দল টোল প্লাজায় চেকপোস্ট বসায়। পরে সাব-ইন্সপেক্টর রেজওয়ানের নেতৃত্বে সন্দেহভাজন একটি অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬৭২ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেন পুলিশ সদস্যরা।

আটক দুজনের পরিচয়

আটক ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া কাজীবাড়ি এলাকার মো. শহিদুল্লাহর ছেলে মো. নাহিদ (২৬) এবং একই উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাহির গোড়া ইদ্রিস চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার আবু জাফরের ছেলে আব্দুর রহিম মুন্না (২৬)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন জানিয়েছেন, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করতেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে এসব মাদক ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করতেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে পাচারের কৌশল

রোগী পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সকে মাদক পাচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছিলেন তারা। সাধারণত জরুরি রোগী পরিবহনের কাজে নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্সকে অনেক সময় সড়কে সন্দেহের বাইরে রাখা হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের তল্লাশিতে তাদের এ কৌশল ধরা পড়ে। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ স্কাফ সিরাপ।

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদক ও জব্দ করা অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আটক দুজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দাউদকান্দিতে অ্যাম্বুলেন্সে মাদক পাচার, আটক ২

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে রোগী পরিবহনের আড়ালে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারের ঘটনা ধরা পড়েছে। এ সময় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৬৭২ বোতল স্কাফ সিরাপসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সটিও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের একটি দল টোল প্লাজায় চেকপোস্ট বসায়। পরে সাব-ইন্সপেক্টর রেজওয়ানের নেতৃত্বে সন্দেহভাজন একটি অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬৭২ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেন পুলিশ সদস্যরা।

আটক দুজনের পরিচয়

আটক ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া কাজীবাড়ি এলাকার মো. শহিদুল্লাহর ছেলে মো. নাহিদ (২৬) এবং একই উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাহির গোড়া ইদ্রিস চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার আবু জাফরের ছেলে আব্দুর রহিম মুন্না (২৬)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন জানিয়েছেন, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করতেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে এসব মাদক ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করতেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে পাচারের কৌশল

রোগী পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সকে মাদক পাচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছিলেন তারা। সাধারণত জরুরি রোগী পরিবহনের কাজে নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্সকে অনেক সময় সড়কে সন্দেহের বাইরে রাখা হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের তল্লাশিতে তাদের এ কৌশল ধরা পড়ে। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ স্কাফ সিরাপ।

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদক ও জব্দ করা অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আটক দুজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।